রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২ ১৪২৬   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

পিরোজপুর সংবাদ

আজ কর্মস্থলে যোগদান করবেন ববি ভিসি

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০১৯  


বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য (ভিসি) ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন বুধবার (৬ নভেম্বর) কর্মস্থলে যোগদান করবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সাল রুমী জানান, বুধবার বরিশালে পৌঁছে বিকেল ৩টা নাগাদ ভিসি তার কর্মস্থলে যোগদান করবেন। 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন (আরেফিন মাতিন) বিগত দিনে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক দায়িত্বে ছিলেন।

তিনি ২০১৩ সাল থেকে রাবির ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে, ২০১৪ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টির সিনেট সদস্য, ২০১৩ সাল থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগেও তিনি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতিনিধিত্ব ছাড়াও একাধিক দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সদস্য, ২০০৪ সালে কোষাধ্যক্ষ এবং ২০১১ সালে মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালে রাবি শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক ও ২০১১ সালে সাধারণ সম্পাদক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি, ১৯৯৮ সালে রাবির নির্বাচিত একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য এবং ১৯৯৯ থেকে ২০০১ সালে রাবির সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এই শিক্ষকের বর্তমানে ১৮টি প্রকাশনাসহ একটি বই রয়েছে। তার তত্ত্বাবধানে চারজন শিক্ষার্থী পিএচইডি ডিগ্রি গ্রহণ করেছেন। এছাড়াও বর্তমানে তিনজন শিক্ষার্থীর পিএচইডি ডিগ্রির সুপারভাইজারের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি ১৯৮৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজকর্ম বিভাগ থেকে অনার্স ও ১৯৮৫ সালে মাস্টার্স পাস করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ থেকে ১৯৯৩ সালে এমফিল ও একই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০৪ সালে পিএইচডি ডিগ্রি গ্রহণ করেন ড. ছাদেকুল আরেফিন। সর্বশেষ এ শিক্ষক বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) পদে নিয়োগ পান।

শিক্ষার্থীদের টানা ৩৪ দিন আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে না এসে ঢাকার লিয়াজো অফিস থেকেই বিদায় নেন সাবেক ভিসি ইমামুল হক। গত ২৭ মে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ট্রেজারারকে রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয় উপাচার্যের। তবে তার চুক্তির মেয়াদও গত ৭ অক্টোবর শেষ হয়।  র কারণে পদধারী কেউ না থাকায় ভর্তি পরীক্ষাও স্থগিত করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন আটকে সংকটের মুখে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

তবে উপাচার্য নিয়োগের মধ্য দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সৃষ্ট শঙ্কার নিরসন ঘটার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কাজে গতিশীলতা ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। যদিও এখনও এ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বেশ কয়েকটি বিভাগের ডিনসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক পদই শূন্য রয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর