সোমবার   ২১ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৫ ১৪২৬   ২১ সফর ১৪৪১

পিরোজপুর সংবাদ
৩৩২

গরমে সুস্থ থাকার খাবার তালিকা

প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০১৯  

হঠাৎ করেই গরম পড়ছে। যতই দিন যাচ্ছে গরমের পরিমাণও বাড়ছে। আর এই গরম ঠান্ডা সময়টাতে মানুষের শরীর খারাপ বেশি হয়ে থাকে। গরমে শক্তি সঞ্চয় করার জন্য, নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য ও হাইড্রেড থাকার জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার দিকে নজর দিতে হবে। বেশ কিছু খাবার নিয়মিত খেতে হবে। যেগুলো গরমের সময় শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। সেসব খাবার সম্পর্কে জেনে নিন-

প্রক্রিয়াজাতকরণ খাবার খাওয়া যাবেনা: প্রক্রিয়াজাত খাদ্য খাওয়া যাবেনা। কারণ এসব খাবারে থাকে ফুট্রোজ বা সিরা। এছাড়াও স্বাদ বৃদ্ধির জন্য নানা রকম ক্ষতিকারক উপকরণ থাকে। সেইসঙ্গে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম থাকে। তাই গরমের সময় প্রক্রিয়াজাত খাবার না খাওয়াই ভালো। আর খেলেও কম পরিমাণে খেতে হবে। 

রাস্তায় বানানো জুস খাওয়া যাবেনা: বিশেষ করে, রাস্তা ঘাটে জুস বা নানা রকম পানীয় খেয়ে থাকি। এসব খাবার খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এছাড়া তাজা শাক সবজি বা ফল বেশি পরিমাণে খেতে হবে। আর প্রতিদিনের খাবার তালিকায় বাদাম জাতীয় খাবার রাখা আবশ্যক। 

সাদা রঙের খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে: সাদা ভাত, সাদা রুটি ও সাদা চিনি এ ধরণের খাবার খাওয়া যাবেনা। কারণ এসব খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হয়ে থাকে। সাধারণত সাদা আটা থেকে সাদা রুটি তৈরি করা হয়ে থাকে। আর প্রক্রিয়াজাত হওয়ার সময় আটা পুষ্টিমান হারিয়ে ফেলে। তাই এসব সাদা আটার রুটিও শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। সব থেকে ভালো উপায় হলো, গম ভাঙিয়ে রুটি খাওয়া বা অর্গানিক চাল দিয়ে রুটি বানিয়ে খাওয়া। 

পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি জাতীয় খাবার খেতে হবে: গরমের সময় সারাদিন ঘোড়াঘুড়ির জন্য ডিহাইড্রেশন হয় ও শরীরে পানির ঘাটতি হয়। তাই এমন  সব খাবার খেতে যেগুলো শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করতে পারে। তরমুজ, ফল ও স্যুপ জাতীয় খাবার শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করে। সেইসঙ্গে মাংসে ব্যবহৃত লবণাক্ত মসলা তৃষ্ণা বাড়াতে সাহায্য করে। নাস্তা হিসেবে খেঁজুর, ফলের রস বা জুস খেতে পারেন। এসব খাবার খেলে শরীরের পানির ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে আর সেই সঙ্গে ডিহাইড্রেশনের পরিমাণও কমে যাবে। আর চা বা কফি খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। যদি দিনে দু’বার চা বা কফি খাওয়া হত তবে সেখানে দিনে একবার চা বা কফি খেতে হবে। আর চা বা কফি না খেলে শরীরের জন্য আরো ভালো। কারণ চা বা কফি ডিহাড্রেশনের অন্যতম কারণ।  

ভাজা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে: গরমের সময় ভাজা ভাজি খেলে হজমের সমস্যা দেখা দেয়। সেকারণে যতটা সম্ভব না ভেজে বেক করে যেসব খাবার খাওয়া যায় তা খেতে হবে। অনেকেই রাতে খাবার পরে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে থাকেন। মিষ্টি জাতীয় খাবার বা চিনি না খেয়ে মধু খেতে পারেন। তবে গরমে আর কোনো সমস্যা হবেনা। আর গরমে অবশ্যই কার্বো হাউড্রেড জাতীয় খাবার কমিয়ে খেতে হবে। কারণ কার্বো হাইড্রেড শরীরে গিয়ে শর্করায় রুপান্তরিত হয়ে থাকে। আর কার্বো হাইড্রেড একান্ত খেতেই হলে এর সঙ্গে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারও রাখতে হবে। যেমন: মটরশুটি, ডিম ইত্যদি।