• রোববার   ০৫ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২২ ১৪২৬

  • || ১১ শা'বান ১৪৪১

পিরোজপুর সংবাদ
১১১

চীনে বন্যপ্রাণী শিকার-সংরক্ষণ-খাওয়ায় আটক ৭০০

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেও যেসব মানুষ খাওয়ার জন্য বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করছেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে চীনা পুলিশ।

রয়টার্স জানায়, গত দুই সপ্তাহে গোটা চীনে ঘরবাড়ি, রেস্টুরেন্ট এবং মার্কেটে অভিযান চালিয়ে অন্তত ৭০০ মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ বন্যপ্রাণী শিকার, বিক্রি ও খাওয়ার অভিযোগ আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে।

অভিযানে জব্দ করা হয় কাঠবিড়ালি, শুকর, বেজিসহ নানা ধরনের ৪০ হাজার বন্যপ্রাণী।

মাত্র দুই সপ্তাহে বিপুলসংখ্যক বন্যপ্রাণী জব্দের এই ঘটনা এটাই নির্দেশ করছে যে, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেও চীনা নাগরিকদের মধ্যে বন্যপ্রাণী খাওয়ার প্রবণতা কমছে না বা বন্ধ হচ্ছে না পশু প্রাণী অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে ওষুধ বানানোর প্রক্রিয়াও।

তবে চীনে মাংসের চাহিদা মেটানোর জন্য বৈধভাবে গাধা, কুকুর, হরিণ, কুমিরসহ আরও কিছু প্রাণী বেচাবিক্রি করা যায়। তবে করোনাভাইরাস আতঙ্কে মার্কেট বন্ধ ও এসব প্রাণীর বিক্রিতেও সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।

এসব প্রাণী বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা জানান, মার্কেট চালু হলে আবার তারা নিজেদের ব্যবসায় ফিরে যাবেন। ব্যবসায়ী গংগ জিয়ান বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে আমি আবার পশুপ্রাণীর বিক্রি শুরু করব।’

ইনার মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের এই বাসিন্দা অনলাইনে বন্যপ্রাণী বিক্রি করে থাকেন। ইতিমধ্যে তিনি বিপুল পরিমাণ হরিণ ও কুমির মাংস সংরক্ষণ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মানুষ বন্যপ্রাণী কিনতে পছন্দ করে। নিজেরা খাওয়ার জন্য বা কাউকে উপহার দেয়ার জন্য এসব কিনে তারা।’

এদিকে বিজ্ঞানীদের ধারণা বন্যপ্রাণী থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের দেহে। যদিও সেটি প্রমাণিত হয়নি এখনো। বিশেষ করে পিঁপড়াখেকো খুদে প্রাণী প্যানগোলিনস থেকে বাদুড়ের মাধ্যমে এটি ছড়িয়ে পড়ে। চীনের প্রাকৃতিক ওষুধের জন্য খুবই মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়ে থাকে প্যানগোলিনসকে।  

আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর