বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৮ ১৪২৬   ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

পিরোজপুর সংবাদ
১৭

ছাত্রদল নেতার হাতে কিশোর খুন, ঘটনা শুনেননি ভিপি নূর

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০১৯  

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান সাহস ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। নিহত কিশোরের নাম কাওসার তালুকদার। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পৌর শহরের পুলিশ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আবুচানসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি মিজানুর রহমান জানান, দুর্গাপুর পৌর শহরের পুলিশ মোড় এলাকায় কাওসার গ্যারেজে মোটরসাইকেল সারাতে যায়। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় সুসং ডিগ্রি কলেজ শাখার ছাত্রদল শাখার যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান সাহসসহ কয়েকজন দুর্বৃত্ত সেখানে গিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে রাত ১টার দিকে কাওসারকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে কিশোর কাওসার তালুকদারের খুনের ঘটনায় দেশের ছাত্রসমাজ উদ্বিগ্ন কিনা জানতে ডাকসু ভিপি নূরুল হক নূরু’কে ফোন করা হলে তিনি এ ঘটনা এখনো পর্যন্ত শুনেননি বলে জানিয়েছেন। এমন প্রেক্ষাপটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি পীঠস্থানের ছাত্র নেতৃত্বের সচেতনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাস্য-রসিকতার মধ্য দিয়ে অনেকেই বলছেন, তিনি তার বিভিন্ন বক্তব্যে যেভাবে বিএনপির গুণকীর্তন করেন তাতে বিএনপির নেতার দ্বারা কিশোর হত্যার ঘটনা তার না শোনারই কথা।

ডাকসুর ভিপি নূরুল হক নূরু’র এমন জবাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগে অধ্যায়নরত একজন ছাত্র আরিয়ান বিন অর্ঘ্য বলেন, আঙ্গুল ফেটে কলাগাছ বনে যাওয়া ভিপি নূরু নিজের খবরই নিজে রাখেন না, আর সারা দেশের ছাত্র সমাজের কী খবর রাখবেন? তিনি তো মোটামুটি পর্যায়ের বলদ নূরু। তিনি এখন একটি দলের পক্ষে। তাই সে দলের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা তার কান পর্যন্ত পৌঁছালেও তিনি তার স্বীকার করতে পারেন না। কেননা, নুন খেয়ে তো আর বিরুদ্ধে বলা যায় না।

সূত্র বলছে, এমন খবর প্রকাশ পাওয়ার পর ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নূরুকে নিয়ে হাসি-তামাশা চলছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন ধরণের ট্রল।

এই বিভাগের আরো খবর