• সোমবার   ০৬ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৩ ১৪২৬

  • || ১২ শা'বান ১৪৪১

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
দীর্ঘদিন জেলখাটা আসামিদের মুক্তির নীতিমালা করার নির্দেশ প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন হলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে: অর্থমন্ত্রী করোনা: ৭৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসা না দিলেই ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রতি উপজেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আজ থেকে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সেনাবাহিনী মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সমালোচনা করছে বিএনপি : কাদের দেশে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত ২৬ জন সুস্থ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে সরকার বিবেচনা করবে: সেনাপ্রধান শেষ হলো পদ্মাসেতুর সবক’টি পিলার বসানোর কাজ
১১৬৩

জনসন বেবি পাউডার ও শ্যাম্পু বিক্রিতে সতর্কতা

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০১৯  

জনসন অ্যান্ড জনসন বেবি টেলকম পাউডার ও শ্যাম্পুতে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থের উপস্থিতি পাওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এ দু’টি পণ্য বিক্রিতে সতর্কতা দিয়েছে ভারতের জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন (এনসিপিসিআর)। একইসঙ্গে প্রসাধনী দু’টির গুণমান পরীক্ষার রিপোর্টও যত শিগগির জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

আমেরিকান বহুজাতিক কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি টেলকম পাউডার ও শ্যাম্পুতে বিষাক্ত অ্যাসবেস্টস ও কারসিনোজেনিকের মতো ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থ রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর এনসিপিসিআর এমন পদক্ষেপ নিয়েছে।

সম্প্রতি জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি শ্যাম্পুর নমুনা পরীক্ষা করে রাজস্থানের ড্রাগস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন জানায়, শ্যাম্পুটি একেবারেই নিরাপদ নয়, এতে এমন পদার্থ রয়েছে, যাতে শ্যাম্পুটির ব্যবহারে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে শিশুর। 

এরপর জনসনের বেবি টেলকম পাউডার ও শ্যাম্পুর মান পরীক্ষার ফলাফল রিপোর্ট এনসিপিসিআরে দেওয়ার জন্য রাজস্থানের পাশাপাশি আসাম, অন্ধ্র প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

যদিও প্রস্তুতকারক সংস্থা শুরু থেকেই দাবি করে আসছে, জনসন অ্যান্ড জনসন প্রসাধনী একেবারেই নিরাপদ এবং সমস্ত নিয়ম মেনেই তা তৈরি হয়েছে। 

এ বিষয়ে এনসিপিসিআরের প্রধান প্রিয়াঙ্ক কানুনগো সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমাদের শিশুদের জন্য মানহীন বা ক্ষতিকর কোনো পণ্য আমরা কাউকে বেচতে দেবো না। শিশুদের গ্রাহক হিসেবে গণ্য করে সে মোতাবেক আচরণ করা কোনো কোম্পানিরই উচিত নয়, কারণ শিশুরা ভারতের ভবিষ্যৎ। শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা এনসিপিসিআরের প্রধান করণীয়গুলোর একটি।’

আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর