• বৃহস্পতিবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৭

  • || ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
পার্বত্য শান্তিচুক্তি বিশ্বে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে: রাষ্ট্রপতি সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সর্বত্র শান্তি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর ব্যান্ডউইথ কিনবে সৌদি-ভারত-নেপাল-ভুটান, প্রধানমন্ত্রীর উচ্ছ্বাস মহান বিজয়ের মাস শুরু এইডস রোগ নির্মূল করার জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে রেল যোগাযোগ গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে পায়রাবন্দর পর্যন্ত রেললাইন নিয়ে যাব: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে বিতর্কের পিছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য আছে- কাদের সৌদি সহায়তায় আটটি ‘আইকনিক মসজিদ’ নির্মাণ হবে : প্রধানমন্ত্রী

জ্বর-ঠাণ্ডা হতে পারে ডেঙ্গুর কারণ, সাবধান থাকবেন যেভাবে

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২০  

একে তো মহামারী তার উপরে আবার ডেঙ্গুর থাবা। এছাড়াও আবহাওয়া এখন অনেকটাই ঠাণ্ডা। মাঝে মধ্যে বৃষ্টি সঙ্গে ঠাণ্ডা বাতাস। তাই সর্দি-কাশির সমস্যায় অনেকেই ভুগছেন। হতে পারে ডেঙ্গুর কারণেও হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এজন্য সাবধানতার বিকল্প নেই।

ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিস ইজেপ্টাই মশার কারণেই ডেঙ্গু হয়। এই মশার একটি কামড়ই ডেঙ্গু সংক্রমণের জন্য যথেষ্ট। আর বর্ষা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সবস্থানেই মশার উপদ্রব শুরু হয়ে গেছে।

ডেঙ্গুর উপসর্গ হলো জ্বর, পেশি ব্যথা, শরীর ব্যথা, দুর্বলতা ইত্যাদি। সব মিলিয়ে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ নয়। তবে রোগ থেকে বাঁচার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে পারেন-

> হাত আর পায়ে সবচেয়ে বেশি মশা বসে। তাই ঘরে বাইরে যেখানেই থাকুন হাত পা ঢেকে রাখুন। 

> মশার বংশবিস্তারের জন্য আদর্শ স্থান হলো জমে থাকা পানি। বৃষ্টির দিনে জলাবদ্ধতা বাড়ে, ফলে মশার বংশবিস্তারের স্থানও বাড়ে। 

> মশা তাড়ানোর একটি কার্যকর এবং স্বাস্থ্যকর উপায় হলো মশা দূরে রাখে এমন গাছ ঘরের আশপাশে রোপন করা। তুলসি, সিট্রোনেলা, লেমনগ্রাস ইত্যাদি একাজে কার্যকর।

> মশা দূরে রাখার নিরাপদ উপায় হলো ঘরোয়া উপাদান। মৃদু কর্পূর, সরিষার তেলের সঙ্গে মেশানো ক্যারোম সিড বা আজওয়াই ইত্যাদি মশা তাড়াতে কাজে আসে। নিমের ও ল্যাভেন্ডার তেল, ইউক্যালিপ্টাস অয়েল ইত্যাদিও উপকারী।

> যেকোনো ময়লা রাখার পাত্র প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে। আর ব্যবহারের সময় তা ঢেকে রাখতে হবে। জীবাণু ভরা ময়লার পাত্র মশা টানে। এছাড়াও ঘরের কোণা, ছায়াবৃত স্থান, বাগান ইত্যাদিও নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।

> মশা তাড়ানোর স্প্রে, মলম ইত্যাদি ব্যবহারে জোর দিতে হবে। ঘরে কিংবা বাইরে সবখানেই এগুলো ব্যবহার করা উচিত। বিশেষ করে, শিশুদের ক্ষেত্রে এগুলো অবশ্যই ব্যবহার করা উচিত।

> স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলার মাধ্যমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হলে সব ধরনের রোগ দূরে থাকবে। এজন্য খাবারের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ‘সাপ্লিমেন্ট’ও গ্রহণ করা যেতে পারে।

> দিনের শেষে এবং রাতেই মশার উপদ্রব বেশি হয়। তাই এই সময় ঘরের দরজা জানালা বন্ধ রাখলে মশা ঢুকতে পারবে কম। পাশাপাশি জানালা ও দরজার মসকিউটো নেট লাগানো যেতে পারে।

>  দিনের বেলাও ঘরে মশা ঢুকতে পারে। তাই জানালায় নেটের পাল্লা ব্যবহার করতে হবে।