• মঙ্গলবার   ১৯ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৬ ১৪২৭

  • || ০৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
আইনের শাসন সুসংহত করতে বিরোধী দলকেও গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পরিবার নিয়ে দেখা যায় এমন সিনেমা তৈরি করুন: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২১, শনাক্ত ৫৭৮ একটানা ক্ষমতায় থাকার ফলে মানুষের উন্নয়ন করতে পারছি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতার টাকা সরাসরি পৌঁছাবে উপকারভোগীদের হাতে টিকা দেওয়ার সময় নেতাকর্মীদের ভূমিকা পালনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘জাতির পিতার শিক্ষাকে পুঁজি করে অসহায় মানুষের পাশে আছি’ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬, শনাক্ত ৭১৮ আওয়ামী লীগ সরকারে আছে বলেই দেশ স্বনির্ভর হয়ে উঠছে: প্রধানমন্ত্রী

‘তোমরাই আমার ২০৪১ এর সৈনিক’

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২০ ডিসেম্বর ২০২০  

বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর উপযোগী করে নিজেদের গড়ে তুলতে বিমান বাহিনীর নবীন কর্মকর্তাদের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের নবীন কর্মকর্তারা তোমরাই হবে সেই কর্ণদ্বার, তোমরাই আমার ২০৪১ এর সৈনিক। সেইভাবে নিজেদের গড়ে তুলবে, দেশকে ভালোবাসবে, মানুষকে ভালোবাসবে, দেশ ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ, কর্তব্যবোধ থাকবে। জাতির পিতার আর্দশ নিয়ে তোমরা এগিয়ে যাবে। ইনশাল্লাহ আমরা আর পিছিয়ে থাকবো না।’

বিমানবাহিনী আয়োজিত শীতকালীন ‘রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ ২০২০’ অনুষ্ঠান উপভোগ করে রবিবার (২০ ডিসেম্বর) তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।

সরকারের একটি আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার নানা প্রচেষ্টা তার বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তি ভিত্তিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ঘোষণার  ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তিভিত্তিক বিমান বাহিনী গড়ে তোলার দিকে আমরা বিশেষ দৃষ্টি দেই। সেই সময়ে সর্বাধুনিক মিগ-২৯ বিমান ক্রয় করি। পাশাপাশি আধুনিক উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন বিমান, হেলিকপ্টার, র‌্যাডার, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র এবং মুখ্য যন্ত্রপাতি সংযোজন করেছি। অ্যারোনটিক্যাল সেন্টার গড়ে তুলি। তেঁজগাও বিমানবন্দর বিমান বাহিনীকে উপহার দেই, যাতে বিমান বাহিনী তাদের প্রশিক্ষণ আরও দৃঢ় করতে পারে এবং এগিয়ে যেতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমান বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যাধুনিক পাঁচটি সি-১৩০জে  পরিবহন বিমান ক্রয়ের জন্য চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছে। যার তিনটি বিমান ইতোমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে। বৈমানিকদের উন্নততর প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে আরও ৭টি অত্যাধুনিক কে-৮ ডব্লিউ জেট ট্রেইনার বিমান সংযোজন করা হয়েছে এবং অচিরেই যুক্ত হতে যাচ্ছে পিটি-৬ সিমুলেটর। এছাড়াও শিগগিরই যুক্ত হবে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, আনম্যান্ড এরিয়াল ভেহিকেল সিস্টেম, মোবাইল গ্যাপ ফিলার র‌্যাডার এবং সর্বাধুনিক এয়ার ডিফেন্স র‌্যাডার। ফোর্সেস গোল-২০৩০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিমান বাহিনীকে উন্নত ও আধুনিকায়নে ভবিষ্যতে আরও আধুনিক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি ক্রয়ের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

শেখ হাসিনা বলেন, লালমনিরহাটে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ে বিমান চলাচল, বিমান নির্মাণ ও মহাকাশ বিজ্ঞানচর্চা হবে। যার মাধ্যমে একদিন এই বাংলাদেশে যুদ্ধবিমান, পরিবহন বিমান ও হেলিকপ্টার তৈরি করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তাছাড়া মহাকাশে বিজ্ঞান চর্চা করা এবং একদিন আমরা মহাকাশে পৌঁছেও যাওয়ার প্রচেষ্টাও সরকার করে যাবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

বিমান বাহিনীর প্রতিটি সদস্য, বিশেষ করে নবীন ক্যাডেটদের উদ্দেশ্যে সরকার প্রধান বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ করে বিজয় অর্জনকারী একটি দেশ, একটি জাতি, সে কথা সব সময় মাথায় রেখে মনে সাহস রেখে, মাথা উঁচু করে বিশ্ব দরবারে চলতে হবে এবং নিজেদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে’।  

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের আগে বিমান বাহিনীর মনোরম পাপেট শো উপভোগ করেন।