• রোববার   ০৬ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৭

  • || ২০ রবিউস সানি ১৪৪২

পিরোজপুর সংবাদ

দুদকের মামলায় ডিআইজি বজলুরের বিচার শুরু

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২০  

তিন কোটি ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯০২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় কারা অধিদফতরের সাময়িক বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন আসামির অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে আগামী ২২ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন।

এর আগে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আসামি পক্ষের আইনজীবী তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী অভিযোগ গঠন পক্ষে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে অভিযোগ গঠন করেন। একইসঙ্গে আগামী ২২ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন।

এর গত ২২ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য প্রস্তুত নন জানিয়ে সময় আবেদন করেন। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২২ অক্টোবর নতুন দিন ধার্য করেন।

গত ১ সেপ্টেম্বর মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত দুদকের দেয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে ২২ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ ধার্য করে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বদলির আদেশ দেন। এর আগে গত ২৬ আগস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দীন ১৬ জনকে সাক্ষী করে আদালতে বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, বজলুর রশীদ রূপায়ন হাউজিং স্টেট থেকে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী রোডের ৫৫/১ (পুরাতন) ৫৬/৫৭ (নতুন) নির্মাণাধীন স্বপ্ন নিলয় প্রকল্পের ২৯৮১ বর্গফুট আয়তনের অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন। ইতোমধ্যে তিনি অ্যাপার্টমেন্টের মূল্যবাবদ তিন কোটি আট লাখ টাকা পরিশোধ করেন। এ অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়বাবদ বজলুর রশীদ যে টাকা পরিশোধ করেছেন, এর স্বপক্ষে কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি।

এমনকি তিনি অ্যাপার্টমেন্টের ক্রয়-সংক্রান্ত কোনো তথ্য তার আয়কর নথিতে দেখাননি। পরিশোধিত তিন কোটি আট লাখ টাকা জ্ঞাতআয় উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দুদক আইন ২৭ (১) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর বজলুর রশীদ ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে দুদক। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।