• বুধবার   ২৮ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১৩ ১৪২৭

  • || ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

পিরোজপুর সংবাদ

পায়রা নদীর ওপর নির্মিত হবে ‘শেখ হাসিনা পায়রা ব্রীজ’

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০  

পায়রা নদীতে বরগুনা-আমতলী অংশে স্থানীয় মানুষের স্বপ্নের সেতু নির্মাণ বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত সেতুটির নাম হবে ‘শেখ হাসিনা পায়রা ব্রীজ’।

সেতু বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদৌস জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পায়রা নদীতে পটুয়াখালীর লেবুখালী ও মির্জাগঞ্জ এবং বরগুনা-আমতলী তিনটি সেতুই নির্মিত হচ্ছে। মির্জাগঞ্জ ও বরগুনার দুই সেতুর ডিজাইনসহ দাপ্তরিক কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

তিনি জানান, আরো কিছু মাঠ পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হলেই অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রাক্কলিত ব্যয় প্রস্তাব দাখিল করা হবে। 

লেবুখালী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক নূর-ই আলম জানান, প্রায় ১ হাজার ১৭০ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৪৭০ মিটার দৈর্ঘ্যর লেবুখালী সেতুর কাজ ২০১৬ সালের ২৪ জুন শুরু হয়েছে এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ৬২ শতাংশ এবং মোট প্রকল্পের কাজ ৫৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে নির্মাণ কাজের গতি কিছুটা ধীর হলেও এই পরিস্থিতিতেও এক শিফটের কাজ চলমান রয়েছে।

চলতি বছরের আগস্ট মাসে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, সেতু বিভাগের সচিব রশিদুল হাসান, সেতু বিভাগের পরিচালক ও যুগ্ম সচিব ড. মো মনিরুজ্জামান, বরগুনার জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ, সেতু বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদৌস, তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী প্রকল্প পরিচালক (পায়রা সেতু) মো. তোফাজ্জেল হোসেন ও তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান সম্ভাব্য প্রকল্পস্থানসমূহ পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে সার্কিট হাউসে সেতু বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদৌস সাংবাদিকদের জানান, ব্রীজের নাম হবে ‘শেখ হাসিনা পায়রা ব্রীজ’। ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু জানান, বরগুনা-আমতলী পায়রা নদীর উপর সেতু নির্মাণ নিয়ে কোন সংশয় নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেতুর কাজের অগ্রগতি তদারকি করছি।

জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ জানান, পায়রা নদীতে সেতু নির্মিত হলে বরগুনার সকল স্তরে উন্নয়ন হবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সকল সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

জেলা চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন জানান, এই সেতু নির্মিত হলে জেলার উন্নয়নের নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি জেলার পর্যটন ও মৎস্যখাতও সমৃদ্ধ হবে।- বাসস