• শুক্রবার   ১৫ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ২ ১৪২৭

  • || ০১ জমাদিউস সানি ১৪৪২

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
একটানা ক্ষমতায় থাকার ফলে মানুষের উন্নয়ন করতে পারছি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতার টাকা সরাসরি পৌঁছাবে উপকারভোগীদের হাতে টিকা দেওয়ার সময় নেতাকর্মীদের ভূমিকা পালনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘জাতির পিতার শিক্ষাকে পুঁজি করে অসহায় মানুষের পাশে আছি’ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬, শনাক্ত ৭১৮ আওয়ামী লীগ সরকারে আছে বলেই দেশ স্বনির্ভর হয়ে উঠছে: প্রধানমন্ত্রী এমডি পদের জন্য পদ্মাসেতু নির্মাণে বাধা দেয়া দুর্ভাগ্যজনক বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় সংগঠন গড়ার জন্য বঙ্গবন্ধু মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন: শেখ হাসিনা

পিরোজপুরে চাঞ্চল্যকর শিক্ষক সমীরন হত্যা মামলায় তিন জনের ফাসি

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২১  

পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. মহিদুজ্জামান আজ মঙ্গলবার একটি হত্যা মামলায় তিনজন আসামীকে ফাসিঁর আদেশ দেন। এ ছাড়া মামলার অপর ৪ আসামীকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। ফাসিঁর আদেশ প্রাপ্ত আসামীরা হলো দিপঙ্কর রায়, খোকন সেখ ও নুরুল ইসলাম সেখ। উল্লেখিত ৩ আসামীকে ভিকটিমের স্ত্রীকে আহত করার দায়ে আদালত প্রত্যেককে দশ বছর জেল ও ৫ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

মামলার নথি সুত্রে  জানাযায় ২০১৭ সালের ২৩ মার্চ রাত ২টায় জেলার নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাংগা ইউনিয়নের পশ্চিম বানিয়ারি গ্রামে স্কুল শিক্ষক সমীরণ মজুমদার (৫০) এর ঘরে সিঁদ কেটে ঢুকে ২জন আসামী  ঘরের দরজা খুলে  সমীরনকে টেনে-হিচড়ে বের করে দিপঙ্কর রায়, খোকন সেখ ও নুরুল ইসলাম সেখ তাদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সমীরনের ঘার সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় পাশের রুমে ঘুমানো তার স্ত্রী স্বপনা বসু ধস্তাধস্তির শব্দ পেয়ে তাকে রক্ষা করার চেষ্টা করে বাইরে বের হয়ে বাধা দিতে গেলে আসামীরা তাকেও কুপিয়ে আহত করে। তাদের ডাক চিৎকারে লোকজন এসে আহতদের প্রথমে নাজিরপুর হেলথ কমপ্লেক্স ও পরে খুলনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পথেই সমীরন মারা যায়। পরবর্তীতে সমীরনের স্ত্রী স্বপনা নাজিরপুর থানায় হত্য মামলা দায়ের করে। বিজ্ঞ জজ তার আদেশে আরও উল্লেখ করেন পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে এ হত্যাকান্ড সংগঠন করা হয়।
সরকার পক্ষের আইনজীবী পিপি খান মো. আলাউদ্দিন জানান, মামলায় মোট ৭ জন আসামী ছিল। এবং মোট ২৩ জন স্বাক্ষী এ মামলায় স্বাক্ষ্য প্রদান করে। ফাসিঁর দন্ডপ্রাপ্ত ১নং আসামী পুর্বেই জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিথিতে বিচারক জেলা ও দায়রা জজ ফাসিঁর আদেশ দেন বাকি ৬ আসামী রায়ের সময় উপস্থিত ছিল। আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, এডভোকেট আহসানুল কবির বাদল ও মো. দেলোয়ার হোসেন।
 উল্লেখ্য এ মামলায় আসামী দিপংকর রায় ও নুরুল ইসলাম সেখ বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবান বন্দি দেয়।