বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৬ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

পিরোজপুর সংবাদ
৭১

পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যানসারের লক্ষণ

প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০১৯  

প্রোস্টেট গ্রন্থির ক্যানসারের হার দিন দিন বাড়ছে। পুরুষদের শরীরেই শুধুমাত্র এই গ্রন্থিটি থাকে। প্রোস্টেট গ্রন্থির কোষগুলো যখন অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়ে, তখন এই ক্যানসার হয়। সাধারণত ৫০ বছরের পর পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তবে এর আগেও হতে পারে।

প্রস্টেট ক্যান্সার খুব ধীরে ধীরে হতে পারে এটি কোনো লক্ষণ নাও দেখাতে পারে আবার লক্ষণ থাকতে পারে।যেসব লক্ষণ থাকলে চিকিৎসক এর নিকট যেতে হবে তা হলোঃ
*মুত্র ত্যাগে কোনো প্রকার সমস্যা
*প্রসাবের সাথে রক্ত গেলে
*ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা অতিদ্রুত বীর্যপাত জনিত সমস্যা হলে।
*পেটের নীম্নভাগে ব্যাথা অনুভব করলে।

প্রস্টেট ক্যান্সার শনাক্ত করা যায় রক্তে প্রস্টেট স্পেসিফিক এন্টিজেন দেখে।এটিকে পিএসএ টেস্ট বলে।

ক্যান্সারের সবচেয়ে বড় সমস্যা এটি মেটাস্টাসিস করতে পারে অর্থাৎ এটি প্রস্টেটে সীমাবদ্ধ না থেকে ছড়িয়ে যেতে পারে।প্রস্টেটে সীমাবদ্ধ থাকলে চিকিৎসা সহজ থাকে তুলনামূলকভাবে। যাদের পরিবারের আগে কারো প্রস্টেট ক্যান্সার ছিলো তাদের প্রস্টেট ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা অন্যদের থেকে বেশি।

*প্রস্টেটের সাধারণ সমস্যা গুলো প্রতিরোধে কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে যেমনঃ

*রাতে ঘুমানোর ঠিক আগে পানি পান বন্ধ করতে হবে।
* অ্যালকোহল ও ক্যাফেইন জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ এড়িয়ে যেতে হবে।
*হেলদি ডায়েট যাকে বলে ভেজিটেবল বেশি খাওয়া মাংস কম খাওয়া
*লক্ষণ গুলো অবহেলা না করা
*নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে
*ওজন ঠিক রাখতে হবে নিয়মিত বি এম আই মাপতে হবে।

প্রস্টেট প্রদাহ,প্রস্টেট এনলার্জমেন্ট,প্রস্টেট ক্যান্সার এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাটি হলো প্রস্টেট বড় হয়ে যাওয়া বা প্রস্টেট এনলার্জমেন্ট(বিপিএইচ)।অনেকে অসচেতনতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে লক্ষণ স্পষ্ট হওয়া সত্ত্বেও চিকিৎসা নেন না এতে করে কিডনি ফেইলিওর হয়ে যায়।অনেকে চিকিৎসক এর নিকট যাবার পর চিকিৎসক কিছু পরীক্ষা করে দেখেন যে তার কিডনী ফেইলিউর ডেভলপ করেছে।তাই আগে থেকেই সচেতন হোন। আপনার নিকটবর্তী হাসপাতালের ইউরোলজিস্ট এর সাথে কথা বলুন সচেতন হোন।

এই বিভাগের আরো খবর