• রোববার   ০৬ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৭

  • || ২০ রবিউস সানি ১৪৪২

পিরোজপুর সংবাদ

পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে অঞ্চলভিত্তিক চাষাবাদ হবে

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২০  

পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে অঞ্চলভিত্তিক চাষাবাদ এলাকা তৈরি করতে যাচ্ছে সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, ফরিদপুর, পাবনা, নাটোরসহ বিশেষ কিছু এলাকায় কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক তদারকির সঙ্গে থাকবে প্রয়োজনীয় সংরক্ষণব্যবস্থা। উৎপাদন বৃদ্ধিতে মাঠপর্যায়ে উন্নত বীজ সরবরাহের কথাও ভাবছে মন্ত্রণালয়।

সরকারি হিসেবে দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২৫ লাখ টন। বিপরীতে চলতি বছর উৎপাদন হয়েছে ২৪ লাখ টন। তবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ ঘাটতি ২৫ শতাংশ ছাড়া বাৎসরিক উৎপাদন প্রায় ১৯ লাখ টন। এই ঘাটতি মেটাতে পুরোপুরি নির্ভর করতে হয় ভারতের ওপর। ফলে রফতানি বন্ধ করলেই বাজার কারসাজিতে নেমে পড়েন ব্যবসায়ীরা।

এ অবস্থায় আবাদ বাড়িয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছরের সময়সীমা। পরপর দুই বছর ভালো দাম পেয়ে পেঁয়াজ আবাদে উৎসাহী কৃষকরাও। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পাবনা, নাটোর জেলায় শুরু হয়েছে মুড়িকাটা পেঁয়াজ রোপণ।

এবার পাবনা, ফরিদপুর, রাজশাহী,নাটোর, কুষ্টিয়াসহ ১৪টি জেলায় প্রায় দুই লাখ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। উৎপাদন আরও বাড়াতে এই জেলাগুলোতে ক্রপিং জোন স্থাপনের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

গতবছর ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করার পর দেশের বাজারে দাম উঠে কেজিতে ২৫০ টাকা। আর চলতি বছর আবারও রপ্তানি বন্ধের কারণে ১০০ টাকায় ঠেকে। নাটোর, রাজশাহী পাবনা ও বগুড়াসহ ছয় জেলায় ৮৩ হাজার ৪৭১ হেক্টর জমিতে নয় লাখ ৩০ হাজার ৩০২ টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়।

ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মাদারিপুর, গোপালগঞ্জ ও শরিয়তপুর জেলায় ৮৩ হাজার ৭১৬ হেক্টর জমিতে নয় লাখ ৪১ হাজার ৪৮৩ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। যশোর, কুষ্টিয়া, মাগুরা ও ঝিনাইদহ জেলায় ৩০ হাজার ৭০৫ হেক্টর জমিতে তিন লাখ ৪৪ হাজার ৬২৩ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়।