• বুধবার   ১৫ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ৩১ ১৪২৭

  • || ২৪ জ্বিলকদ ১৪৪১

পিরোজপুর সংবাদ
৩৫

প্রতিদিনের পাঁচ অভ্যাসেই হাড় থাকবে মজবুত!

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০২০  

হাড়ের উপরই আমাদের দেহের সম্পূর্ণ গঠন নির্ভর করে। তাই যদি হাড়ের কোনো রকম ক্ষতি হয়, তবে তার প্রভাব সম্পূর্ণ শরীরেই প্রভাব ফেলে। তরুণ বয়সে হাড় সবচেয়ে বেশি শক্ত ও সুস্থ থাকলেও বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ক্ষমতা হারাতে থাকে। তাইতো ৪৫ থেকে ৫০ বছর পর থেকেই হাড়জনিত নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়া শুরু হয়।

এক্ষেত্রে যদি সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা যায় ও যত্ন নেয়া হয়, তবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এখন থেকে প্রত্যেকেরই উচিত হাড়ের প্রতি আলাদাভাবে যত্নবান হওয়া। এক্ষেত্রে প্রতিদিনের কিছু সাধারণ অভ্যাসই আপনার হাড় মজবুত রাখতে সহায়তা করবে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক হাড়ের যত্নে কোন বিষয়গুলোর প্রতি বেশি নজর দিতে হবে- 

ক্যালসিয়াম গ্রহণ বৃদ্ধি

হাড়ের বিষয়ে আলোচনা আসলে প্রথমেই যে শব্দটি মাথায় আসবে সেটা হলো ক্যালসিয়াম। প্রাকৃতিক এই মিনারেলটির সাহায্যে হাড় ও দাঁত গড়ে ওঠে ও দৃঢ়তা পায়। তবে ক্যালসিয়ামই শেষ কথা নয়। শরীরকে প্রস্তুত করতে হবে ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য। নইলে ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়া হলেও, তার পুষ্টিগুণ শরীরে ঠিকভাবে শোষিত হবে না এবং ক্যালসিয়ামের অভাব তৈরি হবে।

গ্রহণ করুন ভিটামিন-ডি 

ক্যালসিয়ামের সঙ্গে সরাসরিভাবে সংযুক্ত হলো ভিটামিন-ডি। একইসঙ্গে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি হাড়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন-ডি পাওয়া যাবে চিংড়ি, কমলালেবুর রস, ডিমের কুসুম, টুনা মাছ প্রভৃতি থেকে। এছাড়া রোদের আলো ভিতামিন-ডি এর অন্যতম বড় একটি উৎস। বর্তমান সময়ে অনেকেই রোদের আলোর অপর্যাপ্ততায় ভিটামিন-ডি এর অভাবে ভুগছেন। সেক্ষেত্রে প্রতিদিন অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট শরীরে রোদের আলো লাগানোর চেষ্টা করুন।

নিয়মিত শরীরচর্চা করা

শুধু স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণই যথেষ্ট নয়, হাড়কে সুস্থ রাখতে চাইলে শরীরচর্চার অভ্যাসও গড়ে তুলতে হবে। শরীরচর্চার বিভিন্ন কলাকৌশল হাড়কে দৃঢ় করতে কাজ করে। দৌড়ানো, দ্রুত হাঁটা, দড়িলাফ কিংবা সিঁড়িতে ওঠানামার মতো হালকা ঘরানার শরীরচর্চাগুলোই হাড়কে ভালো রাখতে উপকারী।

সীমিত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ

ক্যাফেইনের বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা থাকলেও তা হাড়ের জন্য নয়। অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে বাধাদান করে। তাই প্রতিদিন দুই কাপ পরিমাণ কফি পান নিরাপদ। এর বেশি হয়ে গেলে তা হাড়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

পারিবারিক ইতিহাস সম্পর্কে জানা

স্বাস্থ্যগত বিষয়ে ফ্যামিলি হিস্ট্রি অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। যার বাবা-মা অথবা ভাই-বোনের অস্টিওপরোসিসের সমস্যা রয়েছে, তারও এই সমস্যাটি দেখা দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পরিবারের মানুষদের হাড়ের স্বাস্থ্য ও সমস্যা সম্পর্কে খোঁজখবর রাখুন এবং সেভাবে নিজের হাড়ের যত্ন নেয়ার বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠুন।

স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর