• সোমবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৫ ১৪২৭

  • || ০৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
আইনের শাসন সুসংহত করতে বিরোধী দলকেও গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পরিবার নিয়ে দেখা যায় এমন সিনেমা তৈরি করুন: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২১, শনাক্ত ৫৭৮ একটানা ক্ষমতায় থাকার ফলে মানুষের উন্নয়ন করতে পারছি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতার টাকা সরাসরি পৌঁছাবে উপকারভোগীদের হাতে টিকা দেওয়ার সময় নেতাকর্মীদের ভূমিকা পালনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘জাতির পিতার শিক্ষাকে পুঁজি করে অসহায় মানুষের পাশে আছি’ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬, শনাক্ত ৭১৮ আওয়ামী লীগ সরকারে আছে বলেই দেশ স্বনির্ভর হয়ে উঠছে: প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২৯ নভেম্বর ২০২০  

যমুনা নদীর উপরে বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল-লাইন ডুয়েল-গেজ বিশিষ্ট রেলওয়ে ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররা ইতোমধ্যে সেতুর প্রাথমিক কাজ শুরু করে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে আজ মূল নির্মাণ কাজ শুরু হলো।

জানা যায়, নির্মাণ কাজের ইয়ার্ড এবং নিয়োগকর্তা-প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের জন্য স্থাপনা উন্নয়ন কাজ দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। মূল সেতুটি দুটি প্যাকেজের অধীনে নির্মিত হবে। পূর্ব ও পশ্চিম অংশের নকশা ও অবকাঠামো কাজের জন্য ওবায়াশি-টোয়া জেএফই এবং আইএইচআই-এসএমসিসি জেভি নামে জাপানের দুটি কোম্পানির সঙ্গে দুটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

চুক্তি অনুসারে- চলতি বছরের জুলাইয়েই উভয় ঠিকাদারের কাছে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। নতুন সেতুর ওপর দিয়ে ব্রডগেজ লাইনে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার এবং মিটার গেজ লাইনটিতে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে রেল চলতে সক্ষম হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নামে এই ডুয়েলগেজ ডাবল-ট্র্যাক সেতুটি নির্মিত হলে এটাই হবে দেশের বৃহত্তম ডেডিকেটেড রেল সেতু। যা দিয়ে  ৮৮টি রেল চলাচল করতে সক্ষম হবে। প্রকল্পটি ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঠিকাদারদের স্থানীয় কর্মীরা এখন নির্মাণের জায়গাটি প্রস্তুত করছেন। সাইটটিকে বেড়া দেয়ার পাশাপাশি শ্রমিকদের আবাসন সুবিধা তৈরি করা হচ্ছে। ইয়ার্ড নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে।

৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকার অনুমোদিত প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৭ হাজার ৭২৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে প্রকল্প সহায়তা হিসাবে এবং ২ হাজার ৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বাংলাদেশ সরকারের তহবিল থেকে আসবে।

সেতুটি রাজধানী ও দেশের পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে অধিক সংখ্যক রেল চলাচলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ের (বিআর) সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে। এটি রেলের যাতায়তের বিলম্ব কমাতেও সহায়তা করবে, যা এখন প্রতিনিয়তই হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৫ থেকে ২৮ মে টোকিও সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে জাপানকে এই প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য অনুরোধ করেছিলেন। পরে, ২০১৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ঢাকা সফরে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি উত্থাপন করেন।