• শুক্রবার   ০৫ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২১ ১৪২৭

  • || ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
৩ হাজার মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট নিয়োগে অনুমোদন দিলেন প্রধানমন্ত্রী করোনায় মৃত্যুর মিছিলে আরও ৩৫ জন, নতুন শনাক্ত ২৪২৩ মানুষকে সুরক্ষিত করতে প্রাণপণে চেষ্টা করছি: প্রধানমন্ত্রী সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর তিন প্রস্তাব করোনা ও আম্পান মোকাবেলা অন্যদের শিক্ষা দিতে পারে দেশে আরও ২৬৯৫ করোনা রোগী শনাক্ত, নতুন মৃত্যু ৩৭ যেকোনো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে পারব: প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ভার্চুয়াল একনেকে ১৬২৭৬ কোটি খরচে ১০ প্রকল্প অনুমোদন গ্লোবাল ভ্যাকসিন সামিটে যোগ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মানুষ যাতে বাঁচতে পারে সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী
৮৯

বাংলাদেশ ও ভারতীয় নৌবাহিনীর যৌথ টহল আজ

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০১৯  

বঙ্গোপসাগরে দ্বিতীয়বারের মতো দুই দেশের সমুদ্রসীমার নির্ধারিত এলাকায় বাংলাদেশ ও ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ও টহল বিমানের (মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট) অংশগ্রহণে শুরু হচ্ছে যৌথ টহল।

আজ বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) এই টহল শুরু হয়ে ১২ অক্টোবর ভারতের বিশাখাপত্তমে পৌঁছে শেষ হবে। গতকাল বুধবার (৯ অক্টোবর)  আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যৌথ এই টহলে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে নৌবাহিনীর দু’টি যুদ্ধজাহাজ বানৌজা ‘স্বাধীনতা’ ও ‘আলী হায়দার’ বুধবার খুলনার মংলা নৌজেটি ত্যাগ করে। নৌজেটি ত্যাগের প্রাক্কালে নৌবাহিনীর ঐতিহ্যবাহী রীতি অনুযায়ী সুসজ্জিত বাদকদল বাদ্যযন্ত্র পরিবেশনের মাধ্যমে তাদের বিদায় জানায়। এ সময় কমান্ডার খুলনা নেভাল এরিয়া রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা, কমান্ডার ফ্লোটিলা ওয়েস্টসহ স্থানীয় নৌকর্মকর্তা, নাবিক এবং জাহাজে গমনকারী কর্মকর্তা ও নাবিকদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

যৌথ এ টহলে নৌবাহিনীর দু’টি যুদ্ধজাহাজ ও ভারতীয় নৌবাহিনীর দু’টি যুদ্ধজাহাজ ও এমপিএ অংশগ্রহণ করবে। যাত্রাপথে দুই দেশের মধ্যে একটি যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। নৌবাহিনী যুদ্ধজাহাজ দু’টি বিশাখাপত্তমে পৌঁছে যৌথ টহল সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে।

সমুদ্র এলাকায় অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ, চোরাচালান ও মানবপাচার, জলদস্যুতা ও সন্ত্রাসবাদ এবং মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিরসনের লক্ষ্যে এ যৌথ টহল পরিচালিত হবে। 

দু’দেশের এই যৌথ টহল বঙ্গোপসাগরে নিজ নিজ জলসীমায় সমুদ্রবিষয়ক অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য আদান-প্রদান, তথ্যাদির সঠিক ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রপথে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনাকারী জাহাজসমূহ চিহ্নিতকরণ ও বিভিন্ন অপরাধ নিরসনকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আশা করা হচ্ছে, এই পদক্ষেপ আঞ্চলিক সমুদ্র নিরাপত্তা রক্ষা, সমুদ্র নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবেলা ও সমুদ্র অর্থনীতির উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে। 

যৌথ এ টহল শেষে যুদ্ধজাহাজ দু’টি আগামী ১৮ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে দেশে প্রত্যাবর্তন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর