• সোমবার   ২৫ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১০ ১৪২৭

  • || ০২ শাওয়াল ১৪৪১

পিরোজপুর সংবাদ
১০

মারা গেলে হাসপাতালের বিছানাই হয়ে যাবে কফিন

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ১৬ মে ২০২০  

 

করোনা চলাকালীন হাসপাতালের বেড ও কফিনের ঘাটতি কমাতে এক অভিনব সমাধান বের করল কলম্বিয়ার একটি বিজ্ঞাপন সংস্থা। এবিসি ডিসপ্লে নামের ওই সংস্থা ধাতব রেলিং সহ একটি কার্ডবোর্ডের বেড বা বিছানা তৈরি করেছে।

কোনও রোগী মারা গেলে ক্যাসকেট হিসাবে এটির আয়তন দ্বিগুণ হতে পারে। ওই কোম্পানির পরিচালক রডল্ফো গমেজ বলেছেন, ইকুয়েডরে সাম্প্রতিক এমন ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পরেই এই অভিনব উপায় খুঁজে পেয়েছেন তিনি।

উপকূলীয় শহর গায়াকিলের পরিবারগুলি গত মাসে করোনার প্রকোপে বেশ কয়েকদিন ধরে মৃত প্রিয়জনের দেহ সঙ্গে রেখে তাদের বাড়িতে অপেক্ষা করছিলেন। করোনায় মৃত আহতদের সংখ্যা বাড়ায় বেড ও কফিনের ঘাটতিও বেড়েছে। পরিবর্তে দান করা কার্ডবোর্ডগুলি ব্যবহার করছেন। অনেকে কাঠের কফিনও খুঁজে পেতে হয়রান হচ্ছিলেন।

গমেজ বলেন, ‘দরিদ্র পরিবারগুলির কাছে কফিনের জন্য বাড়তি অর্থ দেওয়ার কোনও উপায় নেই। এ কারণে তার তৈরি নতুন বিছানাগুলির ১০টি কলম্বিয়ার আমাজনাস বিভাগে দান করার পরিকল্পনা করছেন যেখানে পরিকাঠামো দুর্বল ওবং সংস্থান কম। এখনও অবধি বিছানাগুলি ব্যবহার করা হবে কি না সে নিয়ে কোনও আদেশ দেওয়া হয়নি।

বিজ্ঞাপন কেন্দ্রীক সংস্থাটি কলম্বিয়ায় লকডাউন থাকায় গত মাসে একরম অকেজো হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে করোনা ভাইরাসের প্রায় ৯ হাজার ৫০০টিরও বেশি সংক্রমণ নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকার। গমেজ জানিয়েছেন, বিছানাগুলির ওজন ৩৩০ পাউন্ড (১৫০ কিলোগ্রাম) হতে পারে। প্রতিটির জন্য খরচ পড়বে প্রায় ৮৫ আমেরিকান ডলার। তিনি জানান, এই ডিজাইনে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এই নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি আশা করছেন জরুরি সময়ে পরিষেবা দিতে এই বিছানাগুলি কাজে লাগবে। কার্ডবোর্ডের বিছানাটি করোনা রোধে কতটা কার্যকারী হতে পারে সে বিষয়ে কিছু চিকিৎসক সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। তাদের সচেতন হুঁশিয়ারি, যে কোনও রোগীর বা সম্ভাব্য করোনা রোগী রোগ ছড়াতে পারে। এই সম্ভাবনা এড়াতে কার্ডবোর্ডের কফিনে রাখার আগে প্রথমে সিলড ব্যাগে মরদেহ রাখা উচিত।

মারা গেলে হাসপাতালের বিছানাই হয়ে যাবে কফিন

করোনা চলাকালীন হাসপাতালের বেড ও কফিনের ঘাটতি কমাতে এক অভিনব সমাধান বের করল কলম্বিয়ার একটি বিজ্ঞাপন সংস্থা। এবিসি ডিসপ্লে নামের ওই সংস্থা ধাতব রেলিং সহ একটি কার্ডবোর্ডের বেড বা বিছানা তৈরি করেছে।

কোনও রোগী মারা গেলে ক্যাসকেট হিসাবে এটির আয়তন দ্বিগুণ হতে পারে। ওই কোম্পানির পরিচালক রডল্ফো গমেজ বলেছেন, ইকুয়েডরে সাম্প্রতিক এমন ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পরেই এই অভিনব উপায় খুঁজে পেয়েছেন তিনি।

উপকূলীয় শহর গায়াকিলের পরিবারগুলি গত মাসে করোনার প্রকোপে বেশ কয়েকদিন ধরে মৃত প্রিয়জনের দেহ সঙ্গে রেখে তাদের বাড়িতে অপেক্ষা করছিলেন। করোনায় মৃত আহতদের সংখ্যা বাড়ায় বেড ও কফিনের ঘাটতিও বেড়েছে। পরিবর্তে দান করা কার্ডবোর্ডগুলি ব্যবহার করছেন। অনেকে কাঠের কফিনও খুঁজে পেতে হয়রান হচ্ছিলেন।

গমেজ বলেন, ‘দরিদ্র পরিবারগুলির কাছে কফিনের জন্য বাড়তি অর্থ দেওয়ার কোনও উপায় নেই। এ কারণে তার তৈরি নতুন বিছানাগুলির ১০টি কলম্বিয়ার আমাজনাস বিভাগে দান করার পরিকল্পনা করছেন যেখানে পরিকাঠামো দুর্বল ওবং সংস্থান কম। এখনও অবধি বিছানাগুলি ব্যবহার করা হবে কি না সে নিয়ে কোনও আদেশ দেওয়া হয়নি।

বিজ্ঞাপন কেন্দ্রীক সংস্থাটি কলম্বিয়ায় লকডাউন থাকায় গত মাসে একরম অকেজো হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে করোনা ভাইরাসের প্রায় ৯ হাজার ৫০০টিরও বেশি সংক্রমণ নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকার। গমেজ জানিয়েছেন, বিছানাগুলির ওজন ৩৩০ পাউন্ড (১৫০ কিলোগ্রাম) হতে পারে। প্রতিটির জন্য খরচ পড়বে প্রায় ৮৫ আমেরিকান ডলার। তিনি জানান, এই ডিজাইনে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এই নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি আশা করছেন জরুরি সময়ে পরিষেবা দিতে এই বিছানাগুলি কাজে লাগবে। কার্ডবোর্ডের বিছানাটি করোনা রোধে কতটা কার্যকারী হতে পারে সে বিষয়ে কিছু চিকিৎসক সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। তাদের সচেতন হুঁশিয়ারি, যে কোনও রোগীর বা সম্ভাব্য করোনা রোগী রোগ ছড়াতে পারে। এই সম্ভাবনা এড়াতে কার্ডবোর্ডের কফিনে রাখার আগে প্রথমে সিলড ব্যাগে মরদেহ রাখা উচিত।

আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর