• বৃহস্পতিবার   ২৪ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ১০ ১৪২৮

  • || ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪২

পিরোজপুর সংবাদ

মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে মেট্রোরেলের দ্বিতীয় চালান

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ৯ মে ২০২১  

মেট্রোরেলের দ্বিতীয় চালানের আরও ৬ বগি মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে। রোববার (৯ মে) দুপুরে জাপানের কোবে বন্দর থেকে ছেড়ে আসা বেলিজ পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি ওশান গ্রেস’ মোংলা বন্দরের জেটিতে ভিড়ে। বিকেলে এসব কোচ বন্দর জেটি থেকে খালাস শুরু হবে বলে জানিয়েছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এর আগে ২১ এপ্রিল সকালে জাপানের কোবে সমুদ্রবন্দর থেকে দ্বিতীয় চালানের ৬টি বগি নিয়ে বাংলাদেশে রওনা দিয়েছিল ‘এমভি ওশান গ্রেস’। এই নিয়ে মোংলা বন্দরে মেট্রোরেলের দুটি চালান পৌঁছাল।

বিদেশি জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনসিয়েন্ট ষ্টিমশিপ কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, ৬টি বগি নিয়ে ‘এমভি ওশান গ্রেস’ নামে বেলিজ পতাকাবাহী জাহাজটি মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছায়। আমরা যত দ্রুত সম্ভব খালাস শুরু করব।

ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ-০৮ এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক এবিএম আরিফুর রহমান বলেন, মেট্রোরেলের লাইন-৬ কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ-০৮ এর আওতায় ২৪টি যাত্রীবাহী রেল কোচ আমদানি করা হবে। প্রতিটি কোচে ৬টি বগি থাকবে। ৬টি বগির একটি প্যাকেজে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে আমাদের। রোববার দুপুরে দ্বিতীয়বারের মতো মেট্রোরেলে ৬টি বগি মোংলায় এসেছে। এর আগে, ৩১ মার্চ সর্বপ্রথম ৬টি বগি এসেছিল মোংলা বন্দরে। পরবর্তীতে আমরা ঢাকায় মেট্রোরেলের নিজস্ব স্থানে নিয়েছি।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মাদ মূসা বলেন, দ্বিতীয়বারের মতো মোংলা বন্দরে মেট্রোরেলের ৬ বগি এসে পৌঁছেছে। ২০২২ সালের মধ্যে ২৪টি জাহাজে আরও ১৪৪টি বগি মোংলা বন্দর থেকে খালাস হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা কয়েক বছরে বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুল্লিসহ মূল্যবান যন্ত্রাংশ মোংলা বন্দর দিয়ে এসেছে। আশা করি ভবিষ্যতে সরকার মোংলা বন্দরের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ মালামাল আনবেন। মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ইনারবার ড্রেজিংসহ অনেক কাজ চলমান রয়েছে। এসব কাজ শেষ হলে বন্দরের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে দাবি করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, মেট্রোরেল প্রকল্পের জন্য ২৪ সেট ট্রেন তৈরি করছে জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি। প্রতি সেট ট্রেনের দু’পাশে দুটি ইঞ্জিন থাকবে। এর মধ্যে থাকবে চারটি করে কোচ। ট্রেনগুলোয় ডিসি ১৫০০ ভোল্ট বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। স্টেইনলেস স্টিল বডির ট্রেনগুলোতে থাকবে লম্বালম্বি আসন। প্রতিটি ট্রেনে থাকবে দুটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রতিটি বগির দু’পাশে থাকবে চারটি করে দরজা। জাপানি স্ট্যান্ডার্ডের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংবলিত প্রতিটি ট্রেনের যাত্রী ধারণক্ষমতা হবে ১ হাজার ৭৩৮ জন।