বৃহস্পতিবার   ০২ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ১৮ ১৪২৬   ০৮ শা'বান ১৪৪১

পিরোজপুর সংবাদ
৫৬

শিরোপা জিততে খুলনার লক্ষ্য ১৭১ রান

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি ২০২০  

আগের ম্যাচেও দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেছিলেন। এবার দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সঙ্গে টি-টোয়েন্টির বিনোদনটাও দিলেন ইরফান শুক্কুর। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের ঝড়ো হাফসেঞ্চুরিতে ভর করেই খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ৪ উইকেটে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি দাঁড় করিয়েছে রাজশাহী রয়্যালস। অর্থাৎ শিরোপা জিততে হলে খুলনাকে করতে হবে ১৭১ রান।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য তেমন ভালো ছিল না রাজশাহীর। লিটন দাসের সঙ্গে আফিফ হোসেনের ১৫ বলের উদ্বোধনী জুটিতে আসে মাত্র ১৪ রান। ৮ বলে ১০ রান করে আফিফ শিকার হন মোহাম্মদ আমিরের।

সঙ্গী হারিয়ে সাবধান হয়ে যান লিটন। খেলছিলেন দেখেশুনে, ঠিক টি-টোয়েন্টির আমেজ ছিল না তার ব্যাটে। শুক্কুরের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৪৯ রানের জুটি গড়ে লিটন সাজঘরে ফেরেন ২৮ বলে ২৫ রান করে।

এরপর শোয়েব মালিকও সুবিধা করতে পারেননি। ১৩ বল খেলে মাত্র ৯ রানে রবি ফ্রাইলিংককে তুলে মারতে গিয়ে শান্তর ক্যাচ হন। তবে অপরপ্রান্তে নিজের হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন শুক্কুর। দারুণ ব্যাটিংয়ে এগিয়ে চলা এই ব্যাটসম্যানকে অবশেষে থামান আমির। ৩৫ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় শুক্কুর করেন ৫২ রান।

পরের সময়টায় চালিয়ে খেলে দলের পুঁজি বড় করেছেন আন্দ্রে রাসেল আর মোহাম্মদ নওয়াজ। শহীদুলের করা ১৭তম ওভারে অবশ্য লংঅনে ক্যাচ দিয়েছিলেন রাসেল। ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার তখন মাত্র ৯ রানে। সেই ক্যাচটি দৌড়ে এসে হাতে নিয়েও ফেলে দেন শান্ত।

শেষ পর্যন্ত এই রাসেল ১৬ বলে ৩ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ২৭ রানে। তার চেয়ে বেশি ভয়ংকর ছিলেন মোহাম্মদ নওয়াজ। পাকিস্তানি এই ব্যাটসম্যান ২০ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় খেলেন হার না মানা ৪১ রানের ইনিংস। খুলনার পক্ষে ২টি উইকেট নেন মোহাম্মদ আমির। একটি করে উইকেট রবি ফ্রাইলিংক আর শহীদুল ইসলামের।

এদিকে, পুরো বিপিএলজুড়ে দর্শক খরা থাকলেও উত্তেজনাময় এ ম্যাচ উপলক্ষ্যে মিরপুরের গ্যালারি আজ দর্শকে ভরে উঠেছে কানায় কানায়। এর আগে নানারকম ক্ষোভ, দুঃখ, অভিমান থেকে দর্শকরা খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে না গেলেও সবকিছুর অবসান হয়ে গেল আজকের ফাইনালে।

গ্যালারিতে তিল ধারণের জায়গা নেই। আয়োজকদের হিসাবমতে, আজ সাড়ে ২৭ হাজারের বেশি দর্শক দেখছেন আজকের ফাইনাল। ফাইনালকে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ সত্যিই বিস্ময় জাগানিয়া। কেননা, পুরো টুর্নামেন্টের বেশিরভাগ ম্যাচেই কাউন্টারে বসে মাছি মারতে দেখা গেছে টিকিট বিক্রেতাদের। স্টেডিয়ামের গ্যালারিও ছিল ধূ ধূ মরুভূমি। শুক্রবারের ম্যাচগুলোতে শুধু দেখা মিলত দর্শকদের। অন্যান্য দিনগুলোতে একই দৃশ্য, শূন্য গ্যালারি।

এই বিভাগের আরো খবর