• সোমবার   ০৬ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২২ ১৪২৭

  • || ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪১

পিরোজপুর সংবাদ
৩২

সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর তিন প্রস্তাব

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ৪ জুন ২০২০  

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পুষ্টি চাহিদা পূরণে সমুদ্র সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সুনীল অর্থনীতির কার্যকর ব্যবহারে বিশ্ব সম্প্রদায়কে নতুন নীতি প্রণয়নের উদ্যোগ নিতে হবে।

বুধবার (৩ মে) ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের ভার্চুয়াল ওশেন ডায়ালগে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার ও বাজারজাত নিশ্চিত করতে তিন দফা প্রস্তাবও দেয়া হয় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমুদ্র ও অন্যান্য জলজ সম্পদের টেকসই ব্যবহারে বৈশ্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য তিন দফা প্রস্তাব পেশ করে বিশ্ব সম্প্রদায়কে সমুদ্র কর্মকাণ্ডে তাদের প্রতিশ্রুতি নবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহাসাগরের এবং অন্যান্য জলজ সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিতের জন্য, বিশেষ করে আমাদের সম্পদ এবং পণ্যের বাজারে প্রবেশ এবং প্রযুক্তি সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে।

‘ওশান অ্যাকশন ভবিষ্যতের প্রজন্মকে সবল করে গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আসুন আমরা হাতে হাত রেখে সমুদ্র অ্যাকশনের জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতির নবায়ন করি,’ সংলাপের আজকের ‘শতকোটির পুষ্টি’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম প্রস্তাবে, সামুদ্রিক সম্পদের পরিপূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় সম্পদ, সক্ষমতা ও প্রযুক্তিসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করার আহ্বান জানান।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে তিনি, আঞ্চলিক মাছের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি এবং অবৈধ, অননুমোদিত ও অনিয়ন্ত্রিত মাছ নির্মূল বন্ধের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মৎস্য উন্নয়ন বিষয়ে যৌথ গবেষণা পরিচালনার উপর জোর দেন।


তৃতীয় প্রস্তাবে শেখ হাসিনা, উপকূলীয় বাসস্থান ও জৈববৈচিত্র রক্ষায় মাছের উৎস চিহ্নিতকরণ এবং এর ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম’ এবং ফ্রেন্ডস অব ওশান অ্যাকশন’র ব্যবস্থাপনায় জেনেভোয় পাঁচ দিনব্যাপী এই সংলাপ গত ১ জুন শুরু হয়েছে। সংলাপের এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘মহাসাগরীয় স্থিতিস্থাপকতা, উদ্ভাবন এবং কর্মের জন্য জনগোষ্ঠীগুলোকে সংযুক্ত করা।’

করোনাভাইরাস মহামারী প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, এই সভাটি এমন একটি সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন সমগ্র বিশ্ব এই ঘাতক ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত।

তিনি বলেন, ‘মহাসাগরের এবং মানুষের স্বাস্থ্যের মধ্যে যে যোগসূত্র রয়েছে তা নিয়ে সবাইকে নতুন করে চিন্তা করতে  এই মহামারি বাধ্য করেছে। কেননা অসুস্থতা মোকাবিলায় সমুদ্র একটি বড় উৎসের যোগানদাতা।’

শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শক্তি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উন্নত স্বাস্থ্য খাতে ২০৩০ আলোচ্যসূচির ব্যাপক লক্ষ্যগুলোর ক্ষেত্রে মহাসাগরের অবদান রয়েছে।

 

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর