• শনিবার ১৮ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪৩১

  • || ০৯ জ্বিলকদ ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
যত ষড়যন্ত্র হোক, আ.লীগ সংবিধানের বাইরে যাবে না: ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আগামীকাল ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির আহতদের চিকিৎসায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নের জন্য কার্যকর জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা চান প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ক্ষমতায় এসে সব কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয় চমক রেখে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ শেখ হাসিনার তিন গুরুত্বপূর্ণ সফর: প্রস্তুতি নিচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের ভিসা অনুমোদনের সময় বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কাঁচা আমের আচার তৈরির সহজ রেসিপি

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল ২০২৪  

বর্তমানে কাঁচা আমের আচার বাজারেই কিনতে পাওয়া যায়। বোতলে করে কাঁচা আমের আচার বিক্রি করা হয়। এতে অবশ্য শরীরের উপকার কিছু হয় না। কারণ এ ধরনের আচারে অতিরিক্ত সুগার থাকে। এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আবার দীর্ঘদিন এই আচার সংরক্ষণ করতে প্রচুর প্রিজারভেটিভও মেশানো হয়। ফলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে।

কাঁচা আমের আচার তৈরির উপকরণ

১. কাঁচা আম ৫-৬টি
২. আস্ত সরিষা
৩. মৌরি
৪. মেথি
৫. জিরা
৬. রসুন বাটা
৭. আদা বাটা
৮. লাল মরিচের গুঁড়া
৯. হলুদ গুঁড়া
১০. লবণ পরিমাণমতো
১১. সরিষার তেল ও
১২ চিনি।

কাঁচা আমের আচার তৈরির পদ্ধতি

প্রথমে একটি পাত্রে কাঁচা আমগুলো খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। এবার ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে এক চামচ লবণ মিশিয়ে আলাদা করে রাখতে হবে। অন্তত চার পাঁচ ঘণ্টা এভাবে রাখতে হবে।

লবণ মাখানো থাকলে আম থেকে বাড়তি পানি বেরিয়ে যাবে। ওই পানি ফেলে দিতে হবে। এবার ব্লেন্ডারে আচার তৈরির মসলা বানাতে হবে।

এজন্য আস্ত সরিষা, মৌরি, মেথি, জিরা ভালো করে মিক্স করে নিতে হবে। এবার একটি কাচের পাত্রে আমের টুকরো দিয়ে তার মধ্যে রসুন বাটা, আদা বাটা, লাল মরিচের গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, বেটে রাখা মসলা দিতে হবে।

পরে লবণ, সরিষার তেল,অল্প চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার কাচের বয়ামের মুখ বন্ধ করে রেখে দিন রোদে। টানা সাতদিন এটি রোদে রাখতে হবে।

প্রতিদিন রোদে দেওয়ার আগে নেড়ে নিতে হবে ভেতরের আমগুলো। সাতদিন এভাবে রোদে থাকলেই তৈরি হয়ে যাবে কাঁচা আমের আচার।
আচার তৈরি হলে এটিকে সংরক্ষণও করতে হয় সঠিক নিয়মে। একটি ঠান্ডা ও অন্ধকার জায়গায় আচার সংরক্ষণ করতে হবে। ফ্রিজেও আচার রাখতে পারেন। অন্তত এক বছর এভাবে আচার সংরক্ষণ করা যায়।