• মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৩ ১৪৩০

  • || ১৫ শা'বান ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
জনগণের আস্থা অর্জন করলে ভোট পাবেন: জনপ্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রী জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে উন্নয়ন কাজের ব্যবস্থাটা আমরা নিয়েছিলাম কেউ যেন ভুয়া ক্লিনিক-চিকিৎসকের দ্বারা প্রতারিত না হন: রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার বিভাগে বাজেট বরাদ্দ ৬ গুণ বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারকে মাটি-মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়তে হবে শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান সমাজের অসহায়, দরিদ্র মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে বিচারকদের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধকল্পে খেয়াল রাখার আহ্বান মিউনিখ সফরে বাংলাদেশের অঙ্গীকার বলিষ্ঠরূপে প্রতিফলিত হয়েছে

বান্দরবানে মহাপিন্ড দান অনুষ্ঠান

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০২৩  

যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বান্দরবানে উদযাপিত হয়েছে বৌদ্ধ ধমার্বলম্বীদের মহাপিন্ড দান অনুষ্ঠান। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের  মাসব্যাপী দানোৎসবে মহাপিন্ড দানের মাধ্যমে শেষ হল কঠিন চীবন দান উৎসব।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সকালে বান্দরবান খিয়ং ওয়া কিয়ং (রাজবিহার) থেকে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের একটি বর্ণাঢ্য ধর্মীয় শোভাযাত্রা বের হয়ে বান্দরবানের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এই পিন্ডানের প্রায় তিন শতাধিক বৌদ্ধ ভিক্ষু শহরের বিভিন্ন জায়গা প্রদক্ষিণ করে পিণ্ডদান গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পিণ্ডদান করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি, পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা, জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষ্মীপদ দাস, সদস্য ক্যসাপ্রু মার্মাসহ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষেরা।

এসময় পুণ্যলাভের জন্য শহরে প্যান্ডেল সাজিয়ে নর-নারীরা সারিবদ্ধভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভিক্ষুদের নিকট পিণ্ড (নগদ অর্থ, চাউল, মোমবাতি, বিভিন্ন কাঁচা ফল, পূজা সামগ্রী) দান করেন ভক্তরা। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে এ সময় বান্দরবান শহরজুড়ে সৃষ্টি হয় এক মিলনমেলার।

সন্ধ্যায় বিশ্ব শান্তি কামনায় সমবেত প্রার্থনা, হাজার প্রদীপ প্রজ্বলন ও ফানুস উত্তোলনের মাধ্যমে শেষ হবে দিনব্যাপী এই দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের।
উল্লেখ্য যে, কথিত আছে গৌতম বৌদ্ধ খালি পায়ে হেঁটে বিভিন্ন বৌদ্ধ পল্লীতে ছোয়াং (খাদ্য) সংগ্রহ করতেন। তারই ধারবিহিকতায় বান্দরবানের বৌদ্ধ ধর্মলম্বীরা যুগযুগ ধরে এই উৎসব পালন করে আসছে।