• শুক্রবার   ১৯ আগস্ট ২০২২ ||

  • ভাদ্র ৪ ১৪২৯

  • || ২০ মুহররম ১৪৪৪

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আ. লীগের নেতারা কী করেছিলেন: প্রধানমন্ত্রী সুশীল বাবু মইনুল খুনিদের নিয়ে দল গঠন করে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িতরা আজ মানবাধিকারের কথা বলে: প্রধানমন্ত্রী ভারত পারলে আমরাও রাশিয়া থেকে তেল কিনতে পারবো: প্রধানমন্ত্রী চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক ‘ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি’ খবরদার আন্দোলনকারীদের ডিস্টার্ব করবেন না: প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার মৃত্যু নেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বঙ্গবন্ধু আমাদের রোল মডেল

বিএনপির আমলে মানুষের ভোটের অধিকার ছিল না: প্রধানমন্ত্রী

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২২  

বিএনপির আমলে তাদের দলীয় সন্ত্রাসীরা সিল মেরে ভোট বাক্স ভরিয়ে ফেলতো বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘বিএনপির আমলে মানুষ ভোট দিতে পারিনি। তাদের দলীয় সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ব্যালট ছিনিয়ে নেয়। বিএনপির সন্ত্রাসীরা সিল মারবে, বাক্স ভরবে— এটাই ছিল নীতি। বিএনপির আমলে মানুষের ভোটের অধিকার ছিল না।  তাদের কাছ থেকেও কথা শুনতে হয়। নির্বাচনের কথা তারা বলে কোন মুখে?’

সোমবার (১ আগস্ট) কৃষকলীগের স্বেচ্ছায় রক্ত ও প্লাজমাদান কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি রক্তদানে সক্ষম ব্যক্তিদের রক্ত দেওয়া আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রকৃত গণতন্ত্র থাকলে দেশ কত এগিয়ে যায়, বাংলাদেশ আজ তার উদাহরণ। আওয়ামী লীগ এর বাস্তবায়ন করেছে।’ বিএনপির ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে তারা ক্ষমতায় এসে মানুষের জন্য কী করেছে। বরং ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ যেসব উদ্যোগ নিয়েছিল, পরে ২০০১ সালে তারা ক্ষমতায় গিয়ে দেশকে পিছিয়ে দেয়।’ এ সময় তার সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন সরকারপ্রধান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এসে দেশকে পরনির্ভরশীল করে তোলে। দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয় দেশ। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, খুন-খারাবিতে ভরে যায়। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্ত্রের ঝনঝনানি। শিক্ষার্থীদের লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করে তারা।’

তিনি বলেন, ‘দেখলাম বিএনপির নেতারা হারিকেন নিয়ে আন্দোলন করছে। তাদের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিতে হবে। আর আমরা দেশের মানুষের জন্য কাজ করবো।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে করোনাভাইরাস ও ইউক্রেনের যুদ্ধের পর পৃথিবীতে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। ইউরোপসহ উন্নত দেশগুলোতে মূদ্রাস্ফীতি বাড়ছে। সেখানে বাংলাদেশে মূদ্রাস্ফীতি তুলনামূলক কম। আমরা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আত্মনির্ভরশীল হতে হবে। কারও এক ইঞ্চি জমিও যেন খালি পড়ে না থাকে। বর্ডার গার্ড ও পুলিশ থেকে শুরু করে সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছি; যেখানে যতটুকু জমি আছে, যেন খাদ্য উৎপাদন করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই প্রত্যেকটি পরিবার যেন সুখি পরিবার হয়। আমরা শিক্ষা থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিচ্ছি। সাধারণ মানুষের জন্য সব রকম ব্যবস্থা নিচ্ছি। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে সারা পৃথিবী জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। এর অর্থ এই নয় যে লুটপাট হবে। লুটপাট তো বিএনপি করেছে। আমরা সেটা করিনি। আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়েছি। লুটপাট করলে বাড়াতে পারতাম না।’