• রোববার   ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ৯ ১৪২৯

  • || ২৭ সফর ১৪৪৪

পিরোজপুর সংবাদ

শেখ হাসিনার নেতৃত্ব অনুকরণীয়: এমপি নাবিল

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২২  

যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেছেন, ‘বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এগিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে সারাবিশ্বে তার নেতৃত্ব অনুকরণীয়।’

বুধবার (১৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় যশোর শহরের পুরাতন কসবা মানিকতলা মোড়ে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা ও দরিদ্রদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর জাহিদ হোসেন মিলনের সহায়তায় যুবলীগ কর্মী শেখ জিহাদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ‘শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখুন। একমাত্র তার হাত দিয়েই দেশের উন্নয়ন সম্ভব। তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত চলছে। একাত্তর ও পঁচাত্তরের পরাজিত শক্তিরা একত্রে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা যারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী আছি, আমাদের দায়িত্ব আগামী নির্বাচনে যশোরের ছয়টি আসনে নৌকা মার্কার প্রার্থীদের জয়লাভ করিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাঙালির অধিকার আদায়ের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারা জীবন আন্দোলন-সংগ্রাম করে গেছেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ তার নির্দেশে হয়। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও আড়াই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এই লাল-সবুজ পতাকা পেয়েছি। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু যখন পুনর্গঠন করছেন, তখন আন্তর্জাতিক চক্রান্ত ও একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা যারা কোনও সময় বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি, তারা আবার একত্রিত হয়ে কী করে দেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করে দেওয়া যায় সেই চিন্তা করে। তাদের দোসরদের সঙ্গে একজোটে কাজ করে বঙ্গবন্ধুকে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যা করে তারা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করে।’

এমপি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করা হয়। এরপর বাংলাদেশকে পাকিস্তানে পরিণত করার পাঁয়তারা আবার শুরু হয়ে যায়। ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত একের পর এক সামরিক জান্তা—জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বাংলাদেশকে নব্য পাকিস্তানে পরিণত করেছিল। বাংলাদেশে নেমে আসে ঘোর অমানিশা।’

তিনি আরও বলেন, ‘সৌভাগ্য যে ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা প্রাণে বেঁচে যান বিদেশে থাকায়। এরপর দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পরে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশে আবার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার প্রতিষ্ঠা করেন শেখ হাসিনা। ২০০১ সালে আন্তর্জাতিক চক্রান্তে তিনি ক্ষমতা থেকে চলে যান। ২০০৯ থেকে বর্তমান পর্যন্ত ১৩ বছর ক্ষমতায় আছেন পর পর তিন মেয়াদে, তিনি মানুষের জন্য সবসময় কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নের রোল মডেল। তার নেতৃত্বে সব সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান মিন্টু। এছাড়া শ্রমিক লীগ নেতা জবেদ আলী, পৌর কাউন্সিলর মোকছিমুল বারী অপু, জাহিদ হোসেন মিলন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল, রবি সিদ্দিকী, লাইজু জামান, মঞ্জুন্নাহার নাজনীন সোনালী, অ্যাড. সেতারা খাতুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।