• শনিবার   ২৮ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৪ ১৪২৯

  • || ২৫ শাওয়াল ১৪৪৩

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
নেতিবাচক রাজনীতিই বিএনপিকে গ্রাস করেছে: কাদের আওয়ামী লীগের মূল শক্তি জনগণ: মাহবুব উল আলম হানিফ দারিদ্র্য দূরীকরণ প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম লক্ষ্য: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী প্রচারণার কৌশল হিসেবে বিএনপি সরকারকে দায়ী করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদ্মাসেতুর উদ্বোধনে আমন্ত্রণ পাবেন বিএনপি নেতারা: কাদের পাটখাত আবার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে: পাটমন্ত্রী মানুষের মুখে হাসি দেখে বিএনপি’র বুকে ব্যথা হয়: ওবায়দুল কাদের নির্বাচনকে প্রহসনে রূপান্তরের কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই: সিইসি বিএনপি ষড়যন্ত্র বন্ধ করলেই দেশের অগ্রগতির প্রতিবন্ধকতা দূর হবে: কাদের বাংলাদেশে জ্বালানি তেল বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যসহ ৭ জনের যাবজ্জীবন

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ৩ জানুয়ারি ২০২২  

লক্ষ্মীপুরে সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান আনোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মো. ইসমাইলসহ ৭ জনের সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এসময় তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।

লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকায় ৭ জনকে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এরমধ্যে ২ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি ৫ আসামি পলাতক রয়েছেন। এছাড়া মামলার আরও ১১ আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, দত্তপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত সদস্য মো. ইসমাইল ও তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল আজিজ, ভাই মো. সবুজ, বিল্লাল হোসেন বিপ্লব, ইব্রাহিম হোসেন, মো. মানিক ও আবুল কাশেম। এরমধ্যে কাশেম ও ইসমাইল আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আনোয়ার দত্তপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সন্ত্রাসী বাহিনী প্রধান প্রয়াত নূর হোসেন শামিমের ভাই। ২০১১ সালের ৪ জুন রাতে আনোয়ার দত্তপাড়া বাজারে যান। এসময় আসামিরা তাকে উদ্দেশ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পরদিন তার ভাই আশেক ই এলাহি বাবুল বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১২ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলাটি সিআইডি তদন্ত করে ১৮ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১০ জানুয়ারি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি ও ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।