• মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৩ ১৪৩০

  • || ১৫ শা'বান ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
জনগণের আস্থা অর্জন করলে ভোট পাবেন: জনপ্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রী জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে উন্নয়ন কাজের ব্যবস্থাটা আমরা নিয়েছিলাম কেউ যেন ভুয়া ক্লিনিক-চিকিৎসকের দ্বারা প্রতারিত না হন: রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার বিভাগে বাজেট বরাদ্দ ৬ গুণ বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারকে মাটি-মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়তে হবে শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান সমাজের অসহায়, দরিদ্র মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে বিচারকদের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধকল্পে খেয়াল রাখার আহ্বান মিউনিখ সফরে বাংলাদেশের অঙ্গীকার বলিষ্ঠরূপে প্রতিফলিত হয়েছে

মায়ের প্রেমিকের হাতে শিশু খুন, সহ্য হয়নি ‘দুষ্টুমি’

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০২৩  

চট্টগ্রামে দুই বছরের শিশু হত্যার অভিযোগে মো. ইয়ামিন নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে নগরের ইপিজেড থানা পুলিশ। ইয়ামিন শিশুটির মায়ের প্রেমিক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নগর পুলিশের ডিসি (বন্দর) শাকিলা সুলতানা। এর আগে, শনিবার ইয়ামিনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ইয়ামিন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়ন এলাকার আবছার আলীর ছেলে। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ইপিজেড থানার আকমল আলী রোডের পকেট গেট এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন তারা।

পুলিশ জানায়, শিশুটির মা রওশন আরা বেগম একজন পোশাক শ্রমিক। তিনি এবং ইয়ামিন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ঐ বাসায় ভাড়ায় থাকতেন। ইয়ামিন বেকার ছিলেন। এর আগে দুই বিয়ে হয় রওশন আরা বেগমের। নিহত শিশু ওমর ফারুক তার দ্বিতীয় সংসারের সন্তান।

গত বুধবার দুষ্টুমি করায় ওমর ফারুকের শরীরে সিগারেটের আগুনের ছেঁকা দেন ইয়ামিন। রাতে রওশন আরা বেগম বাসায় ফিরে শিশুটির শরীরে থাকা কালো দাগের বিষয়ে জানতে চাইলে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন ইয়ামিন। পরের দিন বৃহস্পতিবার প্রতিদিনের মতো রওশন আরা বেগম শিশু ওমর ফারুককে বাসায় রেখে কাজে চলে যান।

এ সময় দুষ্টুমির কারণে রাগে শিশুটির চোয়াল ধরে জোরে ধাক্কা দেন ইয়ামিন। এতে শিশুটি মাথার পেছনে আঘাত পায়। এরপর তাকে আহত অবস্থায় প্রথমে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে নেয়া হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে শিশুটির মৃত্যু হয়।

ডিসি শাকিলা সুলতানা বলেন, শিশুটির মা রওশন আরা বেগম আমাদের যে তথ্য দিয়েছেন সেই অনুযায়ী- তিনি এবং তার প্রেমিক ইয়ামিন একটি বাসা নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে থাকতেন, যা কারো জানা ছিল না। মূলত তারা স্বামী-স্ত্রী নন। রওশন আরার আগে বিয়ে হয়েছিল। সেখানে একটি শিশু সন্তান রয়েছে। ঐ সন্তানকে তারা পাশের একটি খালার বাসায় রাখতেন। রওশন আরা দিনের বেলায় গার্মেন্টসে কাজ করতেন। তার স্বামী পরিচয়দানকারী ইয়ামিন মাঝেমধ্যে শিশুটিকে তাদের বাসায় নিয়ে যেতেন এবং সেখানে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতেন।

ডিসি আরো বলেন, শিশুটি মারা যাওয়ার দুইদিন আগে তার চোয়াল ধরে দেয়ালে ধাক্কা দেন মায়ের কথিত স্বামী ইয়ামিন। এরপর শিশুটি কোমায় ছিল। তাকে প্রথমে মা ও হাসপাতালে এবং পরে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে আবার বেসরকারি হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। সেই খবর পেয়ে কাপড়-চোপড় গুছিয়ে বাসা থেকে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত ইয়ামিন। এ সময় ৯৯৯-এ ফোন আসলে আমরা পালানোর আগেই তাকে গ্রেফতার করি। এ ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন নিহত শিশুর মা।