• শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১০ ১৪৩০

  • || ১২ শা'বান ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেই সামুদ্রিক সম্পদ আহরণের আহ্বান সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে কাজে লাগানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কথা বলেনি: শেখ হাসিনা হঠাৎ টাকার মালিক হওয়ারা মনে করে ইংরেজিতে কথা বললেই স্মার্টনেস ভাষা আন্দোলন দমাতে বঙ্গবন্ধুকে কারান্তরীণ রাখা হয় : সজীব ওয়াজেদ ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই বাংলাদেশের মানুষ স্বাধিকার পেয়েছে অশিক্ষার অন্ধকারে কেউ থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী একুশ মাথা নত না করতে শেখায়: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কালীগঙ্গার দুই পাড়ে নতুন স্বপ্ন বুনছে পিরোজপুরবাসী

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০২৩  

পুরোদমে এগিয়ে চলছে পিরোজপুরের কালিগঙ্গা নদীর ওপর কলাখালী সেতুর নির্মাণ কাজ। এ সেতুটি চালু হলে জেলার তিনটি উপজেলার সংযোগকারী সেতু হবে এটি। এতে যোগাযোগে আমুল পরিবর্তন ঘটবে। পাল্টে যাবে এ তিন উপজেলার মানুষের জীবন যাত্রার মান। তৈরি হবে কর্মসংস্থান, পরিধি বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্যের। পিরোজপুরের নেসারাবাদ ও কাউখালী উপজেলাকে জেলা সদর থেকে বিচ্ছিন্নকারী একটি নদী কালিগঙ্গা। এর এক তীরে নাজিরপুর ও সদর এবং অন্য তীরে নেসারাবাদ ও কাউখালী উপজেলা।

ভৌগোলিক কারণে এসব উপজেলা কয়েক লাখ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করেন কালিগঙ্গা নদীর কলাখালী- চাঁদকাঠী পয়েন্টের খেয়া দিয়ে। ফলে চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য, লেখাপড়া ও দৈনন্দিন কাজে এ পথ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তাই জনগণ ও ব্যবসা বাণিজ্যের কথা চিন্তা করে বর্তমান সরকার ১২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬১৪ মিটার দীর্ঘ একটি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ফলে নতুন আশা বুনছেন এ পথে যাতায়াতকারীরা।

স্থানীয়রা জানান, খেয়া পারাপারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। জরুরি চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রেও ভোগান্তি নিয়মিত বিষয় ছিল। এ সেতু নির্মাণ হলে তাদের সে সমস্যা আর থাকবে না।

স্থানীয় ব্যবসায়ী তারেক জমাদ্দার বলেন, ‘আমরা স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন প্রকার মালামাল পিরোজপুরে আনতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হই এবং পরিবহন খরচ বেশি লাগে। কলাখালি সেতুটি হলে এ ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবো এবং আমাদের ব্যবসায়ী সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।’

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবদুস সাত্তার হাওলাদার বলেন, ‘এ সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে দ্রুততার সঙ্গে। এপ্রোচ সড়ক নির্মাণ প্রায় শেষ। পাইল নির্মাণের কাজও চলছে। ২৫ সালের মাঝামাঝি সময় এ সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে।’

বর্তমানে প্রতিদিন ৩ উপজেলার ১৫ হাজার মানুষ ও প্রায় ১ হাজার মোটরসাইকেল এ পথে যাতায়াত করে। ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান ১২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এ সেতু নির্মাণ করছে।