• মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৩ ১৪৩০

  • || ১৫ শা'বান ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
জনগণের আস্থা অর্জন করলে ভোট পাবেন: জনপ্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রী জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে উন্নয়ন কাজের ব্যবস্থাটা আমরা নিয়েছিলাম কেউ যেন ভুয়া ক্লিনিক-চিকিৎসকের দ্বারা প্রতারিত না হন: রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার বিভাগে বাজেট বরাদ্দ ৬ গুণ বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারকে মাটি-মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়তে হবে শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান সমাজের অসহায়, দরিদ্র মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে বিচারকদের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধকল্পে খেয়াল রাখার আহ্বান মিউনিখ সফরে বাংলাদেশের অঙ্গীকার বলিষ্ঠরূপে প্রতিফলিত হয়েছে

আমদানি ব্যয় কমলে স্বস্তিদায়ক হবে রিজার্ভ

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০২৩  

ধারাবাহিকভাবে কমছে আমদানি ব্যয়। রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে বিলাসী তথা অনাত্যাবশ্যকীয় পণ্য আমদানি নিয়ন্ত্রণে অর্থবছরের প্রথম তিন মাসেই আমদানি কমেছে প্রায় ২৪ শতাংশ। আর্থিক হিসাবে প্রায় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকলে রিজার্ভ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় ফিরবে। তবে বাড়াতে হবে রপ্তানি।

আমদানি ব্যয় কমছে খুবই দ্রুত গতিতে। টানা ১২ মাস ধরে প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক। ফলে কিছুটা চাপে থাকলেও রিজার্ভ এখনও রয়েছে স্বস্তিদায়ক অবস্থানে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে পণ্য আমদানিতে দেশের ব্যয় হয় ৮৯ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার। তবে পরের অর্থবছরে প্রায় ১৬ শতাংশ কমে ব্যয় নেমে আসে ৭৫ বিলিয়ন ডলারে। আমদানি কমার এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত আছে।

চলতি অর্থবছরে প্রথম প্রান্তিকে আমদানি ব্যয় কমেছে ২৩ দশমিক ৯ শতাংশ। এ সময়ে আমদানি হয়েছে প্রায় ১৫ দশমিক ৯১ ডলারের পণ্য। গত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে আমদানিতে ব্যয় হয় ২০ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ গত জুলাই-সেপ্টেম্বর এই তিন মাসে আমদানি ব্যয় কমেছে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার।

এলসি নিয়ন্ত্রণ বা কড়াকড়ি আরোপের কারণে গত বছরের অক্টোবর থেকেই আমদানি প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ধারায়। ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আমদানি ব্যয় কমে আসা ইতিবাচক। তবে রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল, মধ্যবর্তী পণ্য, মূলধনী যন্ত্রাংশ এবং জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে ছাড় দিতে হবে।

এফবিসিসিআই সহ-সভাপতি খায়রুল হুদা চপল বলেন, “রপ্তানি ঠিক রাখার জন্য কাঁচামালের আমদানিকে গুরুত্ব দিতে হবে।”

বিলাসী ও জরুরি নয় এমন পণ্যের আমদানি আরও নিয়ন্ত্রণ করার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, “অন্ততপক্ষে তিনমাস যে কোনো রকমের বিলাসী পণ্যের এলসি খোলা যাবে না।”

উৎপাদন খাত তথা রপ্তানি-বাণিজ্য গতিশীল হলে মজবুত হবে রিজার্ভ। হুন্ডি রোধে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার তাগিদ ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের।