• রোববার ২৩ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৮ ১৪৩১

  • || ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ

কমবয়সীদেরও কেন হয় হার্নিয়া, এর চিকিৎসা কী?

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল ২০২৪  

হার্নিয়া মূলত একধরনের ফোলাভাব। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কাশির সঙ্গে সঙ্গে এই ফোলাভাব বাড়তে থাকে। কিছু ক্ষেত্রে বেশি ওজনের কারণেও এই সমস্যা হতে পারে। হার্নিয়া হতে পারে অল্প বয়সেও। সাধারণত পেটের কাছাকাছি এলাকা থেকে হার্নিয়া শুরু হয়।

বয়স বাড়লেই বেশিভাগ মানুষ হার্নিয়ার সমস্যায় ভোগেন। তবে বর্তমানে কমবয়সীদের মধ্যে দিচ্ছে হার্নিয়া। আবার এটি শুধু পুরুষদের নয়, নারীদেরও হতে পারে। তবে কেন হয় হার্নিয়া, এর লক্ষণ কী? হার্নিয়া হলে কী করা উচিত, কীভাবে এর চিকিৎসা হয়?

এ বিষয়ে ভারতের আইএলএস হাসপাতালের অ্যাডভান্সড ল্যাপারোস্কোপিক সার্জেন চিকিৎসক রাকেশ খান জানান, হার্নিয়া বেশ কয়েক রকম হতে পারে। এর মধ্যে দুটি খুব বেশি দেখা যায়। একটি হলো ইনগুইনাল হার্নিয়া। এই হার্নিয়াতে অন্ত্রের কিছু অংশ শুক্রথলির মধ্যে চলে আসে।

অন্যটি হলো অ্যাম্বিলিকাল হার্নিয়া। এটি নাভির চারপাশে হয়। নারীদের মধ্যে মূলত এটি দেখা যায়। কারণ গর্ভাবস্থার পর নাভির চারপাশে দুর্বল হয়ে যায়। এর ফলে একটি ফাঁকা অংশ তৈরি হয়। সেখানে অন্ত্রের কিছু অংশ প্রবেশ করে। দীর্ঘদিন ধরে এটি হলে প্রচণ্ড ব্য়থা হতে থাকে। যে কারণে সঙ্গে সঙ্গে অস্ত্রোপচার করতে হয়।

ইনগুইনাল হার্নিয়ার চিকিৎসা দু’রকম। ওপেন সার্জারি ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি। ওপেন সার্জারিতে তিন চার ইঞ্চি কেটে একটি পানির মতো অংশ বসিয়ে দেওয়া হয়। জাল বসানোর ফলে ভবিষ্যতে আর ওই অংশ ফুলে যায় না। এটি শরীরে থেকে যায়।

বর্তমানে ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি করা হয়। পাশাপাশি রোবটিক সার্জারিও করা হয়। অ্যাম্বিলিকাল হার্নিয়াও বর্তমানে একইভাবে অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে এই পদ্ধতির নাম আইপোম ।

আর কোনো অস্ত্রোপচারের পর হার্নিয়া হলে তাকে ইনসিশনাল হার্নিয়া বলে। এটি সিওপিডি, ডায়াবেটিসের মতো রোগ রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের বেশি হয়। এক্ষেত্রেও অন্ত্রের অংশ ওইভাবে বেরিয়ে এসে ছড়িয়ে পড়ে।

চিকিৎসকের কথায়, হার্নিয়া হলে তা ফেলে না রেখে অস্ত্রোপচার করে ফেলা উচিত। ফেলে রাখলে এটি বেড়ে যায়। পরে জরুরি পরিস্থিতিতে অস্ত্রোপচার করাতে হয়। তখন প্রাণের ঝুঁকি থাকে।