• সোমবার ১১ ডিসেম্বর ২০২৩ ||

  • অগ্রহায়ণ ২৫ ১৪৩০

  • || ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
যুক্তরাষ্ট্র যেন বাংলাদেশকে আর মানবাধিকার শেখাতে না আসে: রাষ্ট্রপতি মার্চের দিকে দুর্ভিক্ষ ঘটাতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বিএনপির পরবর্তী পরিকল্পনা দেশে দুর্ভিক্ষ ঘটানো : প্রধানমন্ত্রী আজ কালকিনি হানাদার মুক্ত দিবস বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিডিপিতে বস্ত্র খাতের অবদান ১৩ শতাংশ : প্রধানমন্ত্রী নিউজউইকে নিবন্ধে প্রধানমন্ত্রী প্রথমবার যাত্রী নিয়ে পর্যটন নগরীতে পৌঁছাল ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শেষ মুহূর্তের চুক্তিতে সরকার বাঁচলো যুক্তরাষ্ট্রের

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৩  

শাটডাউন এড়াতে দ্বিদলীয় বিল পাস করেছে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ। মার্কিন সরকার শাটডাউন হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে প্রতিনিধি পরিষদ মূলত একটি স্বল্পমেয়াদী তহবিল চুক্তিতে সম্মত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, সরকারে স্বল্পমেয়াদী অর্থায়নের বিষয়ে হাউজ অব কমনস এবং সিনেটের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় বড় সংকট থেকে বেঁচে গেছে বাইডেন প্রশাসন। এই চুত্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্রের লাখ লাখ সরকারি কর্মচারীকে বিনাবেতনে ছুটিতে পাঠাতে হতো, বন্ধ হয়ে যেতো সরকারের গুরত্বপূর্ণ বিভিন্ন সেবা।

জানা গেছে, মার্কিন সরকারকে আগামী নভেম্বরের মধ্যভাগ পর্যন্ত অর্থায়ন সংক্রান্ত একটি বিল ৮৮-৯ ভোটে পাস হয়েছে সিনেটে। তবে এতে ইউক্রেনের জন্য নতুন কোনো সহায়তার পরিকল্পনা রাখা হয়নি। ৪৫ দিনের এই পরিকল্পনা প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন মার্কিন হাউজ স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি। এটি পাস হওয়ায় আপাতত স্বস্তি পেলো ডেমোক্র্যাট সরকার।

এর আগে, নতুন অর্থায়ন বিল নিয়ে একদল কট্টর রিপাবলিকান সদস্য আপত্তি তোলায় আংশিক অচল হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল বাইডেন প্রশাসন।

চুক্তি না হলে রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা থেকে অচল হয়ে পড়তো মার্কিন সরকারের একটি বড় অংশ। কিন্তু শনিবার এক নাটকীয় পরিবর্তনের পর হাউজ রিপাবলিকানরা অস্থায়ী অর্থায়ন বিল পাসে সম্মতি দেন।

যদিও রিপাবলিকানদের চেয়ে এই প্রস্তাবে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন বেশি ছিল। অন্তত ৯০ জন রিপাবলিকান সদস্য এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।

মূলত কট্টর ডানপন্থী রিপাবলিকানরা সরকারের ব্যয় কমানোর দাবিতে অনড় থাকায় বিল পাস নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আইনপ্রণেতাদের একটি বড় অংশ সরকার অচল হওয়া এড়ানোর পক্ষে ভোট দেন।