• শুক্রবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৯

  • || ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

পিরোজপুর সংবাদ

পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দু‘দিন ব্যাপী বিজ্ঞান মেলা

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২২  

 

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি : আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে সোমবার (২১ নভেম্বর) শেষ হলো পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দুই দিন ব্যাপী বিজ্ঞান মেলা। এত প্রধান অতিথি ছিলেন, সরকারি হিসার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ মোঃ রুস্তুম আলী ফরাজী। উপজেলা প্রশাসন ৪৪ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে রোববার (২০ নভেম্বর) পৌর শহরের সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে এ মেলার আয়োজন করেন। এতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠন অংশগ্রহণ করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঊর্মি ভৌমিক এর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, এমপি‘র সহধর্মিনী সাবেক শিক্ষিকা খাদিজা বেগম খুশবু, সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাখাওয়াত জামিল সৈকত, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফেরদৌস ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. অলি আহাদ, মঠবাড়িয়া থানার ওসি (অপারেশন) আব্দুল হালিম, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অলিউর রহমান, প্রেসক্লাব সভাপতি মিজানুর রহমান মিজু, সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রুহুল আমিন প্রমূখ।

২০ নভেম্বর এ উদ্ভাবণী মেলার উদ্বোধন করেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মঠবাড়িয়্ াথানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান সিফাত, উপজেলা আ.লীগ সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এমাদুল হক খান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. বাচ্চু আকন, সাপলেজা ম্যাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঃ রাশেদ হাওলাদার, উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দিন, শিক্ষক নেতা মো. মোশারফ হোসেন, ৫৬ নং মডেল সরকারি প্রাধমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাইনুল হোসেন প্রমূখ।

প্রধান অতিথি ডাঃ মোঃ রুস্তুম আলী ফরাজী. এমপি বলেন, বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় বদ্ধ পরিকর। সে আলোকে সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ডিজিলাইজড করছেন। শিক্ষার্থীদের নতুন-নতুন শিখতে আগ্রহ বাড়ানো হচ্ছে। তিনি এসময় শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষার্থিদের নিয়মিত পাঠদানের পাশাপশি উদ্ভাবনী বিয়য়ে আপনাদেরই উদ্ভুদ্ধ করতে হবে এবং গড়ে তুলতে হবে। আজকের শিশু-কিশোর শিক্ষার্থী আগামী বাংলাদেশের কর্নধার।