• বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৪ ১৪৩১

  • || ১১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীকে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প শোনালেন সুবিধাভাগীরা আশ্রয়ণের ঘর মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

ওজন করে কোরবানির পশু বেচাকেনা কি জায়েজ?

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ৬ জুন ২০২৪  

আমাদের দেশের গরুর খামারগুলোতে পশুর লাইভ ওয়েট অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করে পশু বিক্রির প্রচলন রয়েছে। অনেক কোরবানির হাটেও এখন পশুর ওজন মাপার জন্য ডিজিটাল স্কেল বসানো হয় এবং ওজন দরে পশু কেনার সুযোগ থাকে।

পশুর লাইভ ওয়েট দেখে পশুর মূল্যমান বা তার গোশতের পরিমাণ অনুমান করা যায়, কিন্তু নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। তাই যদি পশুর লাইভ ওয়েট অনুযায়ী গোশত বিক্রি করা হয়, তা জায়েজ হবে না। যেমন কোনো পশুর লাইভ ওয়েট হলো একশত পঞ্চাশ কেজি, তা থেকে চল্লিশ শতাংশ বর্জ্য হিসেবে বাদ দিয়ে নব্বই কেজি গোশত পাঁচশত টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হলে তা জায়েজ হবে না।

কিন্তু যদি লাইভ ওয়েট মূল্যমান অনুমান করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়, পশু দেখে তার লাইভ ওয়েট অনুযায়ী যা দাম আসে তা দেখে ক্রেতা-বিক্রেতার সম্মতিতে মূল্য নির্ধারণ করা হয়, তাহলে এই বেচাকেনা জায়েজ হবে। যেমন ক্রেতা কোনো পশু দেখে পছন্দ করল, গরুটি কেজিপ্রতি কত টাকা দরে বিক্রি হবে তা নির্ধারণ করা হলো এরপর লাইভ ওয়েট দেখার পর ক্রেতা-বিক্রেতার সম্মতিতে দাম নির্ধারণ করা হলো, তাহলে এই বেচাকেনা জায়েজ হবে।

কারণ এ ক্ষেত্রে ওজন হিসেবে গরু বা ছাগলটির গোশত ক্রয়-বিক্রয় করা হয়নি বরং এটার মূল্য অনুমান করার জন্য গরুটি ওজন করা হয়েছে এবং ক্রেতা গরুটি চেখে দেখেও ওই দামে কিনতে সম্মত হয়েছেন।

যে সব পশু দিয়ে কোরবানি করা যায়
ছয় ধরনের গবাদি পশু দিয়ে কোরবানি করা যায়। উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা। খাওয়া হালাল এমন যে কোনো পশু দিয়ে কোরবানি করা যায় না। যেমন হরিন খাওয়া হালাল হলেও হরিন দিয়ে কোরবানি করা যায় না।

উট, গরু ও মহিষ এ তিন পশু কোরবানিতে সর্বোচ্চ সাত জন শরিক হতে পারে। অর্থাৎ একজন, দুজন, তিনজন থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ সাতজন ব্যক্তির পক্ষ থেকে একটি পশু কোরবানি যথেষ্ট হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সাত জন ওই পশু কেনায় সমান শরিক হবে এবং সমানভাবে গোশতও ভাগ করে নেবে।

ছাগল, ভেড়া, দুম্বা এ তিন পশু একজনের পক্ষ থেকে কোরবানি করা যায়।

কোরবানির পশুর বয়স
কোরবানি করার জন্য পশুর নির্দিষ্ট বয়সসীমা পার হওয়া জরুরি। যে কোনো বয়সের পশু দিয়ে কোরবানি করা যায় না।

উট কোরবানির জন্য তা কমপক্ষে ৫ বছরের হতে হবে। গরু ও মহিষ কমপক্ষে ২ বছরের হতে হবে। ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কমপক্ষে ১ বছরের হতে হবে। ভেড়া ও দুম্বা যদি ১ বছরের কিছু কমও হয়, কিন্তু এমন হৃষ্টপুষ্ট হয় যে, দেখতে ১ বছরের মতো মনে হয় তাহলে তা দ্বারাও কোরবানি করা জায়েজ। এ রকম ক্ষেত্রে ভেড়া ও দুম্বার বয়স কমপক্ষে ৬ মাস হতে হবে।
উল্লেখ্য যে, ছাগলের বয়স ১ বছরের কম হলে কোনো অবস্থাতেই ওই ছাগল দিয়ে কোরবানি জায়েজ হবে না।