• মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪৩১

  • || ১২ জ্বিলকদ ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক সকল ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিতে কাজ করছে বিএসটিআই: প্রধানমন্ত্রী চাকরির পেছনে না ছুটে যুবকদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান ‘সামান্য কেমিক্যালের পয়সা বাঁচাতে দেশের সর্বনাশ করবেন না’ যত ষড়যন্ত্র হোক, আ.লীগ সংবিধানের বাইরে যাবে না: ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আগামীকাল ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির আহতদের চিকিৎসায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী

মহাকাশে ক্যানসারের গবেষণা, কেন এমন পদক্ষেপ বিজ্ঞানীদের

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ৩০ মার্চ ২০২৩  

মাইক্রোগ্ৰ্যাভিটিতে কীভাবে ডিফিউজ মিডলাইন গ্লিওমা ছড়িয়ে পড়ে তা এখন স্পষ্ট করে জানা নেই বিজ্ঞানীদের। বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতেই এবার রোগের নমুনা পাঠানো হবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে।
ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্চের পক্ষ থেকে এই নমুনা পাঠানো হচ্ছে। ডিফিউজ মিডলাইন গ্লিওমা একটি মস্তিষ্কের একটি টিউমার যা শিশুদের প্রায়ই হয়। রোগ ধরার পরার ১৮ মাসের মধ্যে রোগী মারা যান।

১৯৬৯ প্রথম চাঁদে পাড়ি দেওয়া ব্যক্তি নীল আর্মস্ট্রংয়ের মেয়ে কারেন আর্মস্ট্রং এই রোগের শিকার হন। এই ক্যানসার মস্তিষ্কের একটি সংবেদনশীল এলাকায় হয়। তাই সার্জারি করে রোগীকে সারিয়ে তোলা সম্ভব হয় না। এমনকী কেমোথেরাপি করলেও খুব সামান্য উপকার হয় রোগীর। মূলত রেডিয়োথেরাপিই করা সম্ভব হয়। তবে রেডিয়োথেরাপিও রোগটিকে প্রতিরোধ করতে ব্যবহার করা হয়।

ডি(এমজি)২ গবেষণার প্রধান তদন্তকারী ক্রিস জোন্স লন্ডনের ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্চে শিশুদের ক্যানসার বায়োলজির একজন প্রশিক্ষক। তিনি বলেন,‘১৯৬০এর দশকে নীল আর্মস্ট্রংয়ের মেয়ের মৃত্যুর পরেও রোগীদের বেঁচে থাকার হারে কোনো পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু গত ১৫ বছরে এই টিউমারগুলো নিয়ে বিজ্ঞানের ধারণা অনেকটাই উন্নত হয়েছে। এমনকি এখন নতুন থেরাপিও আবিষ্কৃত হয়েছে। যা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর্যায়ে রয়েছে।’

তবে এই রোগের নমুনা মহাকাশে পাঠানোর কারণ কী? বিজ্ঞানীদের কথায়, ক্যানসারের কোষগুলো ত্রিমাত্রিক স্পেসে কীভাবে কাজ করে তা দেখার জন্যই এই পথ বেছে নেয়া হয়েছে। মহাকাশে কীভাবে এই রোগের নমুনা কোষগুলো নিজেদের মধ্যে বিক্রিয়া করে, তা বুঝলে অনেকটাই সহজ হবে গবেষণা।

টিউমার বন্ধ করার জন্য নতুন পথের খোঁজ চলছে। যে পথের খোঁজ পেলেই ল্যাবে নতুন করে গবেষণা শুরু হবে বলে জানাচ্ছেন এই গবেষণার সঙ্গে জড়িত গবেষকরা। বিজ্ঞানীদের ধারণা, মহাকাশে এই ত্রিমাত্রিক স্পেস পৃথিবীর থেকে অনেকটাই বড় হবে। এতেই গবেষণার সুবিধা হবে।