• বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪৩১

  • || ২১ জ্বিলকদ ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ মানবজাতির জন্য কী কল্যাণ বয়ে আনছে- প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করা এখন অতীতের চেয়ে কঠিন : শেখ হাসিনা বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি রক্ষায় এক অনন্য নাম : রাষ্ট্রপতি রাত ২টা পর্যন্ত নিজেই দুর্যোগ মনিটর করেছেন প্রধানমন্ত্রী রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ দ্রুত মেরামতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যাবেন শেখ হাসিনা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার অগ্রযাত্রায় মার্কিন ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক ডকুমেন্টারি ‘কলকাতায় মুজিব’ অবলোকন

সিলেটে নতুন পর্যটনকেন্দ্রের সন্ধান

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল ২০২৩  

পাহাড়-ঝরনা আর সাদা পাথরের মিতালি। যাওয়ার পথে উভয় পাশে সুপারি বাগান আর উঁচু-নিচু পথ। সব মিলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এক জায়গার নাম রাংপানি। নতুন এই পর্যটনকেন্দ্রটির অবস্থান সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার মোকামপুঞ্জি এলাকায়। সিলেট শহর থেকে প্রায় ৫৪ কিলোমিটার দূরত্বের এই জায়গাটিতে যেতে হলে ব্যক্তিগত যানবাহন কিংবা জাফলং যাওয়ার সার্ভিস বাসে জৈন্তাপুর শ্রীপুর পর্যটনকেন্দ্র পার হয়ে মোকামপুঞ্জি এলাকায় নামলেই হেঁটে মাত্র অর্ধকিলোমিটার এগোলেই দেখা মিলবে স্থানটির।

স্থানীয়দের মতে লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা এই জায়গাটি হতে পারে নতুন এক পর্যটনের অপার সম্ভাবনা।

খাসিয়া জমিদারপুত্র জয়দেব বলেন, আমরা ছোট থাকতে দেখতাম এখানে বাংলা চলচ্চিত্রের গানের দৃশ্যধারণ হতো। কিন্তু তখন যোগাযোগব্যবস্থা খুব খারাপ ছিল। কিন্তু এটি নিয়ে কোনো প্রচারণা না থাকায় সুন্দর এই জায়গাটি লোকচক্ষুর আড়ালেই ছিল। তাই আমরা চাই স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জায়গাটি সম্পর্কে প্রচারণা চালানো হোক।

জাফলং জোন ট্যুরিস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখ জানান, স্থানীয় খাসিয়া আদিবাসীদের দিয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে। এই কমিটি থেকে আগামী ঈদকে সামনে রেখে গাইড নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো পর্যটক এখানে আসলে মোকামপুঞ্জি প্রবেশমুখ থেকে ৫০০ টাকার বিনিময়ে গাইড নিয়ে যেতে পারবেন। সঙ্গে ট্যুরিস্ট পুলিশের নিরাপত্তাও থাকবে।

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল বশিরুল ইসলাম বলেন, এখানে যাওয়ার রাস্তা সম্পূর্ণ খাসিয়া আদিবাসীদের পুঞ্জির (আবাসিক) ভেতর দিয়ে। সেক্ষেত্রে তারা যাতে পর্যটকদের সহযোগিতা করেন সে মর্মে তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, এখানে পর্যটক এলে মানুষের জীবনমান উন্নত হবে। কর্মসংস্থান তৈরি হবে। তাই সবাইকে পর্যটকবান্ধব হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।