• মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৩ ১৪৩০

  • || ১৫ শা'বান ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
জনগণের আস্থা অর্জন করলে ভোট পাবেন: জনপ্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রী জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে উন্নয়ন কাজের ব্যবস্থাটা আমরা নিয়েছিলাম কেউ যেন ভুয়া ক্লিনিক-চিকিৎসকের দ্বারা প্রতারিত না হন: রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার বিভাগে বাজেট বরাদ্দ ৬ গুণ বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারকে মাটি-মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়তে হবে শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান সমাজের অসহায়, দরিদ্র মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে বিচারকদের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধকল্পে খেয়াল রাখার আহ্বান মিউনিখ সফরে বাংলাদেশের অঙ্গীকার বলিষ্ঠরূপে প্রতিফলিত হয়েছে

ভয়ঙ্কর পরিকল্পনায় জামায়াত

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০২৩  

স্বাধীনতাবিরোধী ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক দল বাংলাদেশের নির্বাচন বানচাল করার জন্য ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই ভয়ঙ্কর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা আজ ৩০ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিনে সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতা করতে চায়। মনোনয়ন জমাদান উপলক্ষে সারা দেশে যে নির্বাচনী উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হবে সেটাকে ম্লান করতে মরিয়া স্বাধীনতাবিরোধী এই চক্রটি। পাশাপাশি জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকেই জামায়াত সারা দেশে টার্গেট কিলিং, বড় ধরনের স্থাপনায় নাশকতা সহ বিভিন্ন হামলা এবং সন্ত্রাসী তৎপরতার নীল নকশা তৈরি করেছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রগুলো জানাচ্ছে যে, জামায়াতের এই পরিকল্পনা সম্পর্কে তারা অবহিত এবং এটা প্রতিহত করার মতো যথেষ্ট ক্ষমতা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার রয়েছে। উল্লেখ্য যে, জামায়াত হঠাৎ করেই তিন মাস আগে সরব হয়েছিল এবং তাদেরকে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে সভা করার অনুমতি দিয়েছিল আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত সুধীমহলে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছিল। এরপর সরকার জামায়াতের ব্যাপারে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। কারণ বিভিন্ন জায়গায় গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল যে, সরকার নির্বাচনে আনতে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে ধরনের কোন সমঝোতা হয়নি।

সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, আর যাই হোক না কেন, সরকার জামায়াতের সঙ্গে কোনরকম সমঝোতা করবে না। এরপর জামায়াত বিএনপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে শুরু করে এবং একের পর এক বিএনপির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করতে থাকে। ২৮ অক্টোবর বিএনপির সমাবেশ থেকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব চালানো হলেও জামায়াত কিন্তু ঠিক শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করেছে। এই শান্তিপূর্ণ সমাবেশের পর জামায়াত বিএনপির সঙ্গে সমান্তরাল কর্মসূচি দিয়ে আসছে। কিন্তু কোনো কর্মসূচিতে তাদের উপস্থিতি লক্ষ করা যাচ্ছে না। এমনকি গতানুগতিক মিছিল বা পিকেটিংয়েও জামায়াতের অনুপস্থিতি লক্ষণীয়।

বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে, জামায়াত বড় ধরনের নাশকতা করার পরিকল্পনা নিয়েই এখন চুপচাপ রয়েছে। ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যখনই জামায়াত বড় ধরনের কোনো নাশকতা বা অপতৎপরতা শুরু করে, তার আগে জামায়াত ঘাপটি মেরে থাকে এবং সব কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে এই নাশকতার পরিকল্পনা করে। আগামী ৩০ নভেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। যদি এই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার মেয়াদ বৃদ্ধি না করা হয় আগামীকাল তাহলে ৩০ নভেম্বর জামায়াত বড় ধরনের একটি নাশকতার পরিকল্পনা করছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

শুধু ৩০ নভেম্বর বা মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিনে নয়, জামায়াত নির্বাচনের আগ থেকে টানা বিভিন্ন জায়গায় নাশকতা, টার্গেট কিলিং এবং বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার মতো ঘটনা ঘটাতে চায়। এর মূল লক্ষ্য হল এমন একটি পরিস্থিতি যা তৈরি করতে চায় যাতে জনগণ আতঙ্কিত হয় এবং ভোট কেন্দ্রে না যায়। বিএনপি এবং জামায়াত দুটি দলই মনে করছে, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নির্ভর করছে নির্বাচনে কত ভোটার অংশগ্রহণ করে তার ওপর। আর এই কারণেই এই দুটি দল নির্বাচনের আগে ভোটারদের ভীতি সঞ্চারের এক একটি নীলনকশা করেছে যে নীল নকশার প্রধান মাস্টারমাইন্ড হল জামায়াতে ইসলাম। জামায়াতে ইসলাম একটা পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় ভোটের আগে যে পরিস্থিতিতে মানুষ উদ্বিগ্ন হবে, ঘর থেকে বেরোবে না এবং শেষ পর্যন্ত একটি ভোটার বিহীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এটি যদি তারা করতে পারে তাহলেই তাদের আন্দোলনের সার্থকতা বলে তারা মনে করছে। এর ফলে সরকারের ওপর গ্রহণযোগ্যতার সংকট তৈরি হবে এবং সরকার একটা চাপের মধ্যে পড়ে।