• শনিবার ২২ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৭ ১৪৩১

  • || ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
বঙ্গবন্ধুর চার নীতি এবং বাংলাদেশের চার স্তম্ভ সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার উৎস শুক্রবার ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর: আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে ফিলিস্তিনসহ দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে

আট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে ইউজিসির নিষেধাজ্ঞা

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ১ এপ্রিল ২০২৩  

দেশের কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মাঝে মাঝেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও তিন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করল। পাশাপাশি পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ রাখার নির্দেশও দেয়া হয়েছে। ২৯ মার্চ ইউজিসির পরিচালক ওমর ফারুকের স্বাক্ষর করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

‘অবৈধ’ ঘোষিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- ইবাইস ইউনিভার্সিটি, আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ও দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা। এ ছাড়া ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে- ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (কুমিল্লা), স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, আশা ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটিকে।

‘অবৈধ’ ঘোষিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে ইউজিসি বলেছে, এ তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাময়িক অনুমতিপত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। ফলে ২০১০ সালের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রমের আর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদিত কোনো ক্যাম্পাস ও ঠিকানা এবং চ্যান্সেলর তথা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ করা ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার নেই। অর্থাৎ বৈধ কোনো কর্তৃপক্ষ নেই।

এর ফলে এ তিন ইউনিভার্সিটির একাডেমিক, প্রশাসনিক, আর্থিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি, পরীক্ষা ও ফলাফল এবং একাডেমিক সনদের আইনগত কোনো ভিত্তি নেই।

গণবিজ্ঞপ্তিতে কুমিল্লার ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে ইউজিসি বলেছে, ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৭ সাল থেকে চ্যান্সেলর কর্তৃক নিযুক্ত ভিসি এবং প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার নেই। বৈধ কর্তৃপক্ষের অনুপস্থিতি, অপ্রতুল শিক্ষক সংখ্যা, যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকের অভাব, শিক্ষা সহায়ক ক্যাম্পাসের অনুপস্থিতি, লাইব্রেরিতে প্রয়োজনীয় পাঠ্যবইয়ের অপ্রতুলতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কারিকুলাম মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় কমিশন কর্তৃক পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রোগ্রামে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ থাকবে।

অন্যদিকে, নির্ধারিত সময়ে স্থায়ী ক্যাম্পাসে না যাওয়ায় স্টামফোর্ড, ভিক্টোরিয়া, আশা এবং প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটিতে ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ রয়েছে, যা আগামীতে অব্যাহত থাকবে।

এ ছাড়া ইবাইস, সেন্ট্রাল ইউনির্ভাসিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও ব্রিটেনিয়া ইউনিভার্সিটিতে (কুমিল্লা) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের দ্বন্দ্ব রয়েছে। এর বাইরে একাধিক ব্যক্তি এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করেছেন। যা এখনও বিচারাধীন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বলছে, বর্তমানে দেশে অনুমোদিত ১১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে কমিশনের অনুমতিক্রমে ১০২টি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতির (চ্যান্সেলর) নিয়োগ করা ভিসি (উপাচার্য) রয়েছেন ৭০টিতে। বাকি ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোক্তাদের নিয়োগ করা উপাচার্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।