• শনিবার ২২ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৭ ১৪৩১

  • || ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

পিরোজপুর সংবাদ
ব্রেকিং:
বঙ্গবন্ধুর চার নীতি এবং বাংলাদেশের চার স্তম্ভ সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার উৎস শুক্রবার ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর: আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে ফিলিস্তিনসহ দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে

বিএনপির ১৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

পিরোজপুর সংবাদ

প্রকাশিত: ৩ জুন ২০২৩  

বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ছাত্রদলের সাবেক সদস্য কামরুল আহসান, কাউন্সিলর প্রার্থী মহানগর বিএনপির তিন যুগ্ম আহ্বায়ক ও চার সদস্যসহ ১৯ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত আকারে জানাতে বলা হয়েছে। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে এসব কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) রাত ১১টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন মহানগর বিএনপির দফতরের দায়িত্বে থাকা জাহিদুল ইসলাম রিপন। এর আগে রাত ১০টার দিকে ১৯ জনের হোয়াটসঅ্যাপে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিপ্রাপ্তরা হলেন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান টিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আমিনুল ইসলাম, হারুন অর রশিদ, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সেলিম হাওলাদার এবং মহানগর যুবদলের সহসভাপতি হুমায়ুন কবির।

সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা মহানগর মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জেসমীন সামাদ, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সেলিনা বেগম, রাশিদা পারভীন ও জাহানারা বেগম। বাকিরা ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নেতা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাউন্সিলর প্রার্থী হাবিবুর রহমান টিপু বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে হোয়াটসঅ্যাপে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছি। তবে এই চিঠির কোনও জবাব দেবো না আমি।

তবে চিঠির জবাব দেবেন বলে জানিয়েছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী কামরুল আহসান রুপন। তিনি বলেন, আমার বাবা মরহুম আহসান হাবিব কামাল বরিশাল পৌরসভার কমিশনার থেকে চেয়ারম্যান ও সিটি মেয়র হয়েছেন। তিনি বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। এ কারণে নগরবাসী থেকে শুরু করে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের চাপে মেয়র প্রার্থী হয়েছি। তবে বিএনপিতে আমার পদ নেই। কাজেই শোকজের কারণ দেখি না।

তিনি আরও বলেন, ২৬ মে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন ছিল। এই সময়ের মধ্যে বিএনপি থেকে কোনও ধরনের বার্তা দেওয়া হয়নি। দেওয়া হলে হয়তো নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর চিন্তা করতাম। এখন যখন শোকজ লেটার পেয়েছি, এর জবাব দেবো।

দলের যারা নির্বাচন করবে তাদের আবারও বহিষ্কারের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মীর জাহিদুল করিব জাহিদ। তিনি বলেন, দেশের মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীন নির্বাচনের জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। এমনকি এই সরকারের অধীন কোনও নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না। এ কারণে বরিশাল সিটি নির্বাচন বয়কট করা হয়। এরপরও যারা প্রার্থী হয়ে

প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন তাদের আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। এর আগে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে যারা প্রার্থী হয়েছিলেন তাদের ব্যাপারে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। বরিশালের নির্বাচনে যারা অংশ নিয়েছেন তাদের বেলায়ও একই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

এর আগে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাউন্সিলর পদ থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়া প্রার্থীরা হলেন ২২নং ওয়ার্ড থেকে মহানগর বিএনপির সদস্য আ.ন.ম. সাইফুল আহসান আজিম, একই ওয়ার্ড থেকে জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ, ৫নং ওয়ার্ড থেকে মাইনুল হক, ১নং ওয়ার্ড থেকে সাইদুল হাসান মামুন ও ২৬নং ওয়ার্ড থেকে জিয়াউর রহমান।